লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে নতুন অধ্যাদেশ

সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে প্রতিযোগিতা বাড়ানো এবং দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে 'পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬'-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত মন্ত্রিসভার ২১তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে জানানো হয় যে, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন এই সংশোধনীতে সরকারি ক্রয় আইন আধুনিকায়নের পাশাপাশি ক্রয় চুক্তি ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা সংশ্লিষ্ট বিধানগুলো সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

টেকসই ক্রয় ব্যবস্থার লক্ষ্য অর্জনে পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ণায়কের অনুপাতভিত্তিক মূল্যায়নের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত 'রেটেড ক্রাইটেরিয়া' ধারণার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন নির্ণায়কের ভিত্তিতে ক্রয় প্রস্তাব মূল্যায়ন করা হবে। এছাড়া সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ এবং পেশাগত অসদাচরণ সংক্রান্ত বিধানগুলো আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থার সংস্থানও এই অধ্যাদেশে রাখা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৮৫১ জন

সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে নতুন অধ্যাদেশ

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:০২:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে প্রতিযোগিতা বাড়ানো এবং দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে 'পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬'-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত মন্ত্রিসভার ২১তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে জানানো হয় যে, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন এই সংশোধনীতে সরকারি ক্রয় আইন আধুনিকায়নের পাশাপাশি ক্রয় চুক্তি ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা সংশ্লিষ্ট বিধানগুলো সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

টেকসই ক্রয় ব্যবস্থার লক্ষ্য অর্জনে পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ণায়কের অনুপাতভিত্তিক মূল্যায়নের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত 'রেটেড ক্রাইটেরিয়া' ধারণার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন নির্ণায়কের ভিত্তিতে ক্রয় প্রস্তাব মূল্যায়ন করা হবে। এছাড়া সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ এবং পেশাগত অসদাচরণ সংক্রান্ত বিধানগুলো আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থার সংস্থানও এই অধ্যাদেশে রাখা হয়েছে।