লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশন নিয়ে নাহিদের প্রশ্ন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরও গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের কারণে অন্তত এক হাজার মেধাবী তরুণ নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।

নাহিদ ইসলামের দাবি, প্রায় আট মাস ধরে ভেরিফিকেশনের নামে এসব প্রার্থীকে চরম অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা বর্তমানে গভীর হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষিত বেকারদের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকার চূড়ান্ত প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে।

বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এদের অধিকাংশের বিরুদ্ধেই থানায় কোনো ফৌজদারি মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নেই। এমনকি অতীতে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার কোনো তথ্যও পাওয়া যায়নি। তবুও কোনো স্বচ্ছ, সুস্পষ্ট বা জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তাদের নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার পরও অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে চাকরি থেকে কাউকে বাদ দেওয়া শুধু সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রতি অবিচার নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের নিয়োগ ব্যবস্থাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। নিরপরাধ ও যোগ্য প্রার্থীদের অবিলম্বে নিয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড ও বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া জনসমক্ষে স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই করল বাংলাদেশ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশন নিয়ে নাহিদের প্রশ্ন

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরও গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের কারণে অন্তত এক হাজার মেধাবী তরুণ নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।

নাহিদ ইসলামের দাবি, প্রায় আট মাস ধরে ভেরিফিকেশনের নামে এসব প্রার্থীকে চরম অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা বর্তমানে গভীর হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষিত বেকারদের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকার চূড়ান্ত প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে।

বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এদের অধিকাংশের বিরুদ্ধেই থানায় কোনো ফৌজদারি মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নেই। এমনকি অতীতে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার কোনো তথ্যও পাওয়া যায়নি। তবুও কোনো স্বচ্ছ, সুস্পষ্ট বা জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তাদের নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার পরও অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে চাকরি থেকে কাউকে বাদ দেওয়া শুধু সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রতি অবিচার নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের নিয়োগ ব্যবস্থাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। নিরপরাধ ও যোগ্য প্রার্থীদের অবিলম্বে নিয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড ও বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া জনসমক্ষে স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।