লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হুথিদের বিরুদ্ধে ১ লাখ সেনা নিয়ে অভিযানের প্রস্তুতি সৌদির

ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হাত থেকে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল এবং কৌশলগত বাব আল-মানদাব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে একটি বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই অভিযানে এক লাখের বেশি ইয়েমেনি যোদ্ধাকে মোতায়েন করা হতে পারে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই অভিযান শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে ইয়েমেনি বাহিনী সরাসরি নেতৃত্ব দেবে এবং সৌদি আরব বিমান হামলার মাধ্যমে তাদের সহায়তা করবে।

এই অভিযানের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো হুথিদের সাম্প্রতিক অগ্রযাত্রা প্রতিহত করা এবং বাব আল-মানদাবের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখা। বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের বর্তমান পরিকল্পনা আপাতত পুরো ইয়েমেন দখল করা নয়, বরং লোহিত সাগরের উপকূলীয় অঞ্চল ও নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তবে এই অভিযানে সৌদির জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো ইয়েমেনের সরকারপন্থি বাহিনীগুলোর মধ্যে ঐক্যের অভাব। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থন থাকলেও এসব বাহিনীর মধ্যে রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক বিরোধ বিদ্যমান রয়েছে।

অভিযানের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা তথ্য, সামরিক পরামর্শ ও লক্ষ্য নির্ধারণে সৌদি আরবকে সহযোগিতা করছে। তবে ইয়েমেনে সরাসরি মার্কিন বিমান হামলায় অংশ নেওয়ার অনুরোধ ওয়াশিংটন প্রত্যাখ্যান করেছে। এছাড়া পাকিস্তান ও তুরস্ক সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দিচ্ছে। পাকিস্তান অবশ্য ইয়েমেনে সরাসরি যুদ্ধরত সেনা পাঠানোর বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করেনি। সম্প্রতি রিয়াদে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবিধান সংস্কার এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক ঐকমত্যের তাগিদ ইইউ রাষ্ট্রদূতের

হুথিদের বিরুদ্ধে ১ লাখ সেনা নিয়ে অভিযানের প্রস্তুতি সৌদির

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হাত থেকে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল এবং কৌশলগত বাব আল-মানদাব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে একটি বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই অভিযানে এক লাখের বেশি ইয়েমেনি যোদ্ধাকে মোতায়েন করা হতে পারে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই অভিযান শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে ইয়েমেনি বাহিনী সরাসরি নেতৃত্ব দেবে এবং সৌদি আরব বিমান হামলার মাধ্যমে তাদের সহায়তা করবে।

এই অভিযানের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো হুথিদের সাম্প্রতিক অগ্রযাত্রা প্রতিহত করা এবং বাব আল-মানদাবের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখা। বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের বর্তমান পরিকল্পনা আপাতত পুরো ইয়েমেন দখল করা নয়, বরং লোহিত সাগরের উপকূলীয় অঞ্চল ও নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তবে এই অভিযানে সৌদির জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো ইয়েমেনের সরকারপন্থি বাহিনীগুলোর মধ্যে ঐক্যের অভাব। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থন থাকলেও এসব বাহিনীর মধ্যে রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক বিরোধ বিদ্যমান রয়েছে।

অভিযানের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা তথ্য, সামরিক পরামর্শ ও লক্ষ্য নির্ধারণে সৌদি আরবকে সহযোগিতা করছে। তবে ইয়েমেনে সরাসরি মার্কিন বিমান হামলায় অংশ নেওয়ার অনুরোধ ওয়াশিংটন প্রত্যাখ্যান করেছে। এছাড়া পাকিস্তান ও তুরস্ক সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দিচ্ছে। পাকিস্তান অবশ্য ইয়েমেনে সরাসরি যুদ্ধরত সেনা পাঠানোর বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করেনি। সম্প্রতি রিয়াদে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেছেন।