লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে নাশকতার ষড়যন্ত্রে জড়িত ৩১ সদস্য গ্রেপ্তার

ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরমান প্রদেশে বড় ধরনের নাশকতার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারটি সংঘবদ্ধ চক্রের মোট ৩১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিরজান কাউন্টিতে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের শনাক্ত ও আটক করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা সুপরিকল্পিতভাবে নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। চক্রগুলো কিশোর ও তরুণদের প্রলুব্ধ করে নিজেদের দলে ভেড়ানোর জন্য বিভিন্ন নাম ব্যবহার করত। প্রতিটি চক্রের জন্য আলাদা দায়িত্ব ও কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা ছিল এবং দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির ডাক এলে তারা সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দাবি, সন্দেহভাজনরা ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিল। এর অংশ হিসেবে তারা বিপুল পরিমাণ পেট্রলবোমা তৈরির পাশাপাশি নগরীর নজরদারি ক্যামেরা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ধ্বংসের প্রস্তুতি নিয়েছিল।

গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, জানুয়ারির শুরুতে ইরানে অস্থিরতা চলাকালে গ্রেপ্তারকৃতরা ব্যাপক সহিংসতা ও ভাঙচুরে সরাসরি জড়িত ছিল। সে সময় তারা গভর্নরেট ভবনে অগ্নিসংযোগ, ব্যাংক ও সরকারি কার্যালয়ে ক্ষয়ক্ষতি, নজরদারি ক্যামেরা ধ্বংস এবং অস্ত্র লুটের উদ্দেশ্যে পুলিশ স্টেশনে হামলার মতো অপরাধে লিপ্ত ছিল। তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এই অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং কোনো স্বাধীন সূত্র থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া সম্ভব হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব অপরিসীম: মঈন খান

ইরানে নাশকতার ষড়যন্ত্রে জড়িত ৩১ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরমান প্রদেশে বড় ধরনের নাশকতার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারটি সংঘবদ্ধ চক্রের মোট ৩১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিরজান কাউন্টিতে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের শনাক্ত ও আটক করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা সুপরিকল্পিতভাবে নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। চক্রগুলো কিশোর ও তরুণদের প্রলুব্ধ করে নিজেদের দলে ভেড়ানোর জন্য বিভিন্ন নাম ব্যবহার করত। প্রতিটি চক্রের জন্য আলাদা দায়িত্ব ও কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা ছিল এবং দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির ডাক এলে তারা সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দাবি, সন্দেহভাজনরা ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিল। এর অংশ হিসেবে তারা বিপুল পরিমাণ পেট্রলবোমা তৈরির পাশাপাশি নগরীর নজরদারি ক্যামেরা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ধ্বংসের প্রস্তুতি নিয়েছিল।

গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, জানুয়ারির শুরুতে ইরানে অস্থিরতা চলাকালে গ্রেপ্তারকৃতরা ব্যাপক সহিংসতা ও ভাঙচুরে সরাসরি জড়িত ছিল। সে সময় তারা গভর্নরেট ভবনে অগ্নিসংযোগ, ব্যাংক ও সরকারি কার্যালয়ে ক্ষয়ক্ষতি, নজরদারি ক্যামেরা ধ্বংস এবং অস্ত্র লুটের উদ্দেশ্যে পুলিশ স্টেশনে হামলার মতো অপরাধে লিপ্ত ছিল। তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এই অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং কোনো স্বাধীন সূত্র থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া সম্ভব হয়নি।