লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফির সফর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে মধ্যপ্রাচ্যে সফর শুরু করেছেন মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি। এই সফরের অন্যতম একটি উদ্দেশ্য হলো, চলমান সংঘাত বন্ধে যারা কাজ করছেন, তাদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করা।

মধ্যপ্রাচ্য সফরের প্রথম গন্তব্য হিসেবে তিনি কাতারে পৌঁছেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মারফি জানিয়েছেন যে, তিনি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও সফর করবেন। তিনি নিজেকে যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া প্রথম ডেমোক্র্যাট সিনেটর হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সফরের তিনটি প্রধান উদ্দেশ্যের কথা তুলে ধরেছেন মারফি। প্রথমত, মার্কিন সিনেটের সদস্যদের সরেজমিনে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোর কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করাকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। দ্বিতীয়ত, কাতার ও সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন এবং যুদ্ধ বন্ধের চলমান প্রচেষ্টা সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে তথ্য জানবেন। তৃতীয়ত, উপসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি কেমন হওয়া উচিত, তা নতুন করে পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মারফি বলেন, এই যুদ্ধ যখন তীব্রভাবে চলছে, তখন দুই দলেরই মার্কিন সিনেট সদস্যদের মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সফরে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফির সফর

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে মধ্যপ্রাচ্যে সফর শুরু করেছেন মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি। এই সফরের অন্যতম একটি উদ্দেশ্য হলো, চলমান সংঘাত বন্ধে যারা কাজ করছেন, তাদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করা।

মধ্যপ্রাচ্য সফরের প্রথম গন্তব্য হিসেবে তিনি কাতারে পৌঁছেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মারফি জানিয়েছেন যে, তিনি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও সফর করবেন। তিনি নিজেকে যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া প্রথম ডেমোক্র্যাট সিনেটর হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সফরের তিনটি প্রধান উদ্দেশ্যের কথা তুলে ধরেছেন মারফি। প্রথমত, মার্কিন সিনেটের সদস্যদের সরেজমিনে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোর কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করাকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। দ্বিতীয়ত, কাতার ও সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন এবং যুদ্ধ বন্ধের চলমান প্রচেষ্টা সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে তথ্য জানবেন। তৃতীয়ত, উপসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি কেমন হওয়া উচিত, তা নতুন করে পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মারফি বলেন, এই যুদ্ধ যখন তীব্রভাবে চলছে, তখন দুই দলেরই মার্কিন সিনেট সদস্যদের মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।