লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একনেক সভায় উঠছে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩টি প্রকল্প

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আজকের সভায় অনুমোদনের জন্য মোট ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প উপস্থাপন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সামগ্রিক ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এছাড়া প্রকল্প ঋণ ও অনুদান হিসেবে ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজস্ব তহবিল থেকে ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এবারের সভায় নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি চলমান কয়েকটি প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাবও টেবিলে উঠছে।

উত্থাপিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়নের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ৭৮৪ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকার একটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন পেতে যাচ্ছে। এতে সরকারের অর্থায়ন থাকবে ৫৪৯ কোটি ১৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং সিটি করপোরেশন নিজস্ব তহবিল থেকে দেবে ২৩৫ কোটি ৩৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। এছাড়া রংপুর সিটি করপোরেশনের অবকাঠামো উন্নয়নে ১ হাজার ৬০২ কোটি ৭৯ লাখ ৩ হাজার টাকার একটি এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পুনর্বাসনে ২১০ কোটি ৪৯ লাখ ২৮ হাজার টাকার আরেকটি নতুন প্রকল্প রয়েছে। রংপুরের বড় প্রকল্পটিতে সরকারি তহবিল থেকে ১ হাজার ১২১ কোটি ৯৫ লাখ ৩২ হাজার টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৪৮০ কোটি ৮৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনের সড়ক, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণে ২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকার একটি বড় প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। যেখানে সরকারি অর্থায়ন থাকবে ২ হাজার ১৯৮ কোটি ৯৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা এবং বাকি ৩৮৮ কোটি ৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে আসবে।

নৌ ও রেল যোগাযোগ খাতের উন্নয়নেও রয়েছে একাধিক প্রস্তাব। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং দুটি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে নতুন করে আরও ৭৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয় বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। ফলে ১ হাজার ৩১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকার মূল প্রকল্পটির ব্যয় বিভিন্ন সংশোধনের পর ২ হাজার ১৬৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় গিয়ে ঠেকবে। এদিকে বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের জন্য ২ হাজার ৭৬৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকার একটি নতুন প্রকল্প একনেকে উঠছে। এই প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন ৮১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এছাড়া পঞ্চগড়ের ভজনপুর-পঞ্চগড় সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণে ২০৩ কোটি ৫২ লাখ ৬৬ হাজার টাকার একটি নতুন প্রকল্প সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে。

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ফ্রান্সের প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাসের চ্যান্সারি ভবনকে ব্যবহারোপযোগী করতে সংস্কার ও আধুনিকায়নের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত এই প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২১১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। পার্বত্য অঞ্চলের থানচি-রিমাকরি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাবও আজকের সভায় উঠছে। প্রকল্পটির ব্যয় আরও ৩৬ কোটি ৫০ লাখ ৩২ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৮৮৯ কোটি ৬২ লাখ ৩২ হাজার টাকায় উন্নীত করার এবং মেয়াদ চতুর্থবারের মতো বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ৪৬৯ কোটি ৫৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, যা প্রথম সংশোধনীতে ৮৫৩ কোটি ১২ লাখ টাকা করা হয়েছিল।

অন্যান্য খাতের মধ্যে সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও উদ্যোক্তা তৈরিতে ১৮৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকার একটি নতুন প্রকল্প রয়েছে। সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ৩ হাজার ৭৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি বিশাল প্রকল্প সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য একনেকে উঠছে। বিদ্যুৎ খাতে রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে সরকারি কোনো অর্থায়ন নেই; প্রকল্প ঋণ ও অনুদান থেকে ২ হাজার ১২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭৪ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার টাকা সংস্থান করা হবে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়টির দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ১ হাজার ৩১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে ৩ হাজার ৪৬৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার মূল প্রকল্পটির ব্যয় প্রথম সংশোধনীতে ৪ হাজার ৪১৮ কোটি ৫০ লাখ, দ্বিতীয় সংশোধনীতে ৫ হাজার ৭২৮ কোটি ৯০ লাখ এবং সবশেষ সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদিত হলে তা মোট ৭ হাজার ৩৯ কোটি ৩০ লাখ টাকায় দাঁড়াবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরগুনায় বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত: বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা

একনেক সভায় উঠছে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩টি প্রকল্প

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আজকের সভায় অনুমোদনের জন্য মোট ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প উপস্থাপন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সামগ্রিক ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এছাড়া প্রকল্প ঋণ ও অনুদান হিসেবে ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজস্ব তহবিল থেকে ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এবারের সভায় নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি চলমান কয়েকটি প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাবও টেবিলে উঠছে।

উত্থাপিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়নের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ৭৮৪ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকার একটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন পেতে যাচ্ছে। এতে সরকারের অর্থায়ন থাকবে ৫৪৯ কোটি ১৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং সিটি করপোরেশন নিজস্ব তহবিল থেকে দেবে ২৩৫ কোটি ৩৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। এছাড়া রংপুর সিটি করপোরেশনের অবকাঠামো উন্নয়নে ১ হাজার ৬০২ কোটি ৭৯ লাখ ৩ হাজার টাকার একটি এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পুনর্বাসনে ২১০ কোটি ৪৯ লাখ ২৮ হাজার টাকার আরেকটি নতুন প্রকল্প রয়েছে। রংপুরের বড় প্রকল্পটিতে সরকারি তহবিল থেকে ১ হাজার ১২১ কোটি ৯৫ লাখ ৩২ হাজার টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৪৮০ কোটি ৮৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনের সড়ক, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণে ২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকার একটি বড় প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। যেখানে সরকারি অর্থায়ন থাকবে ২ হাজার ১৯৮ কোটি ৯৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা এবং বাকি ৩৮৮ কোটি ৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে আসবে।

নৌ ও রেল যোগাযোগ খাতের উন্নয়নেও রয়েছে একাধিক প্রস্তাব। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং দুটি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে নতুন করে আরও ৭৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয় বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। ফলে ১ হাজার ৩১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকার মূল প্রকল্পটির ব্যয় বিভিন্ন সংশোধনের পর ২ হাজার ১৬৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় গিয়ে ঠেকবে। এদিকে বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের জন্য ২ হাজার ৭৬৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকার একটি নতুন প্রকল্প একনেকে উঠছে। এই প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন ৮১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এছাড়া পঞ্চগড়ের ভজনপুর-পঞ্চগড় সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণে ২০৩ কোটি ৫২ লাখ ৬৬ হাজার টাকার একটি নতুন প্রকল্প সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে。

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ফ্রান্সের প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাসের চ্যান্সারি ভবনকে ব্যবহারোপযোগী করতে সংস্কার ও আধুনিকায়নের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত এই প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২১১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। পার্বত্য অঞ্চলের থানচি-রিমাকরি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাবও আজকের সভায় উঠছে। প্রকল্পটির ব্যয় আরও ৩৬ কোটি ৫০ লাখ ৩২ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৮৮৯ কোটি ৬২ লাখ ৩২ হাজার টাকায় উন্নীত করার এবং মেয়াদ চতুর্থবারের মতো বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ৪৬৯ কোটি ৫৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, যা প্রথম সংশোধনীতে ৮৫৩ কোটি ১২ লাখ টাকা করা হয়েছিল।

অন্যান্য খাতের মধ্যে সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও উদ্যোক্তা তৈরিতে ১৮৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকার একটি নতুন প্রকল্প রয়েছে। সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ৩ হাজার ৭৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি বিশাল প্রকল্প সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য একনেকে উঠছে। বিদ্যুৎ খাতে রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে সরকারি কোনো অর্থায়ন নেই; প্রকল্প ঋণ ও অনুদান থেকে ২ হাজার ১২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭৪ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার টাকা সংস্থান করা হবে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়টির দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ১ হাজার ৩১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে ৩ হাজার ৪৬৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার মূল প্রকল্পটির ব্যয় প্রথম সংশোধনীতে ৪ হাজার ৪১৮ কোটি ৫০ লাখ, দ্বিতীয় সংশোধনীতে ৫ হাজার ৭২৮ কোটি ৯০ লাখ এবং সবশেষ সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদিত হলে তা মোট ৭ হাজার ৩৯ কোটি ৩০ লাখ টাকায় দাঁড়াবে।