লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিট এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের একেবারে দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। ইউনিট-১-এর পরবর্তী ধাপ ‘বি-টু’ বা ক্রিটিক্যালিটিতে যাওয়ার জন্য এখন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বাডরা) অনুমতির অপেক্ষা করছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

এই ধাপে প্রথমবারের মতো চুল্লিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পারমাণবিক বিভাজন শুরু হবে। এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে চুল্লিতে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে তাপশক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা পরবর্তী সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে রূপ নেবে। এর আগে ইউনিটটির প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্দেশনা অনুযায়ী, রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত প্রকল্পটির প্রথম ইউনিটের ‘স্টেজ বি-ওয়ান’ মোটামুটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সর্বশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার জটিলতাও কাটিয়ে ওঠা হয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, আমরা বাডরাকে সব কাগজপত্র জমা দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার পর আমরা পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাব। আগের সব কাজ এখন সম্পূর্ণ। বাডরার পারমিশন পেলেই ইনশাআল্লাহ আমরা পরবর্তী পর্যায়ে (বি-টু) প্রবেশ করব।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রূপপুরের প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনা করে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি রূপপুর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নির্ধারিত আটটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজও ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

দেশে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিংয়ের কারণে জনভোগান্তির মধ্যে রূপপুরের বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে মানুষের আগ্রহও বাড়ছে। প্রথম ইউনিট ধাপে ধাপে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষ করে উৎপাদন সক্ষমতার নির্ধারিত পর্যায়ে পৌঁছানোর পর জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্টমার্টিনে ৪২ কোটি টাকার ইয়াবা ও হেরোইন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৩৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিট এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের একেবারে দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। ইউনিট-১-এর পরবর্তী ধাপ ‘বি-টু’ বা ক্রিটিক্যালিটিতে যাওয়ার জন্য এখন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বাডরা) অনুমতির অপেক্ষা করছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

এই ধাপে প্রথমবারের মতো চুল্লিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পারমাণবিক বিভাজন শুরু হবে। এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে চুল্লিতে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে তাপশক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা পরবর্তী সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে রূপ নেবে। এর আগে ইউনিটটির প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্দেশনা অনুযায়ী, রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত প্রকল্পটির প্রথম ইউনিটের ‘স্টেজ বি-ওয়ান’ মোটামুটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সর্বশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার জটিলতাও কাটিয়ে ওঠা হয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, আমরা বাডরাকে সব কাগজপত্র জমা দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার পর আমরা পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাব। আগের সব কাজ এখন সম্পূর্ণ। বাডরার পারমিশন পেলেই ইনশাআল্লাহ আমরা পরবর্তী পর্যায়ে (বি-টু) প্রবেশ করব।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রূপপুরের প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনা করে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি রূপপুর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নির্ধারিত আটটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজও ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

দেশে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিংয়ের কারণে জনভোগান্তির মধ্যে রূপপুরের বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে মানুষের আগ্রহও বাড়ছে। প্রথম ইউনিট ধাপে ধাপে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষ করে উৎপাদন সক্ষমতার নির্ধারিত পর্যায়ে পৌঁছানোর পর জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।