লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ এপ্রিল থেকে জাপানে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত একটি নতুন সমঝোতা স্মারক বা মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট (ইএসডিপি-এমওসি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তিটি চূড়ান্ত রূপ পায়। সোমবার প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতি অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় আগামী ১ এপ্রিল থেকে জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। চুক্তিটির প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও পাঁচ বছরের জন্য বৃদ্ধি পাবে। ফলে এই চুক্তির সামগ্রিক মেয়াদ দাঁড়াবে ১০ বছর। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ এবং উন্নততর সুরক্ষা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তির সুবিধাগুলো ব্যাখ্যা করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, এর ফলে কর্মী প্রেরণ ও গ্রহণের ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি তারা উচ্চ বেতন এবং জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ পাবেন। এছাড়া কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

চুক্তির আইনি সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী আরও জানান, জাপানে নিয়োগ পাওয়া কর্মীরা স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা পাবেন। কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে নারী কর্মীদের সুরক্ষায় কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। গর্ভাবস্থা বা সন্তান প্রসবের কারণে কোনো নারী কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা বা বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। এছাড়া সন্তান প্রসব বা গর্ভধারণের কারণে কোনো কর্মীকে জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো বাধ্যবাধকতাও এ চুক্তিতে রাখা হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বড়াইগ্রামে ঘাসের জমি থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

১ এপ্রিল থেকে জাপানে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত একটি নতুন সমঝোতা স্মারক বা মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট (ইএসডিপি-এমওসি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তিটি চূড়ান্ত রূপ পায়। সোমবার প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতি অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় আগামী ১ এপ্রিল থেকে জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। চুক্তিটির প্রাথমিক মেয়াদ পাঁচ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও পাঁচ বছরের জন্য বৃদ্ধি পাবে। ফলে এই চুক্তির সামগ্রিক মেয়াদ দাঁড়াবে ১০ বছর। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ এবং উন্নততর সুরক্ষা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তির সুবিধাগুলো ব্যাখ্যা করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, এর ফলে কর্মী প্রেরণ ও গ্রহণের ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি তারা উচ্চ বেতন এবং জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ পাবেন। এছাড়া কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

চুক্তির আইনি সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী আরও জানান, জাপানে নিয়োগ পাওয়া কর্মীরা স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা পাবেন। কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে নারী কর্মীদের সুরক্ষায় কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। গর্ভাবস্থা বা সন্তান প্রসবের কারণে কোনো নারী কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা বা বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। এছাড়া সন্তান প্রসব বা গর্ভধারণের কারণে কোনো কর্মীকে জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো বাধ্যবাধকতাও এ চুক্তিতে রাখা হয়নি।