লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট: দিনভর চরম ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ডাকা ধর্মঘটের কারণে দিনভর সেবা বঞ্চিত হয়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। মঙ্গলবার দিনব্যাপী চলা এই ধর্মঘটে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে চরম মানবিক সংকটের সৃষ্টি হয়। হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় দীর্ঘ সময় ছোটাছুটি করেও অনেকে অ্যাম্বুলেন্সের দেখা পাননি।

ভুক্তভোগী স্বজনদের অভিযোগ, মরদেহ বাড়িতে নেয়ার জন্য তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। কেউ চার-পাঁচ ঘণ্টা, আবার কেউ সাত থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন। অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে অনেকে পিকআপ ভ্যান, রিকশা, ভ্যান কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশার মতো বিকল্প যানবাহনে মরদেহ ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের নিয়ে গন্তব্যে রওনা হতে বাধ্য হয়েছেন।

সকাল থেকেই হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট, কলেজ গেট এবং নতুন ভবনসহ আশপাশের এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও অনেক চালকই রোগী পরিবহন করেননি। জানা গেছে, পার্কিংয়ের দাবির প্রেক্ষিতে এই ধর্মঘট পালন করা হয়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ধর্মঘটে অংশ নেয়া মালিক সমিতির অ্যাম্বুলেন্স এবং অন্যান্য অ্যাম্বুলেন্সগুলোকেও হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সগুলোকেও তেমন রোগী পরিবহন করতে দেখা যায়নি।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ঢাকার বাইরে থেকে আসা রোগী এবং তাদের স্বজনরা। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের সময়মতো অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করতে না পেরে স্বজনদের উদ্বেগের মধ্যে সময় কাটাতে হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউএইতে কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া ঠেকাতে তৎপর জনতা ব্যাংক

ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট: দিনভর চরম ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ডাকা ধর্মঘটের কারণে দিনভর সেবা বঞ্চিত হয়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। মঙ্গলবার দিনব্যাপী চলা এই ধর্মঘটে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে চরম মানবিক সংকটের সৃষ্টি হয়। হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় দীর্ঘ সময় ছোটাছুটি করেও অনেকে অ্যাম্বুলেন্সের দেখা পাননি।

ভুক্তভোগী স্বজনদের অভিযোগ, মরদেহ বাড়িতে নেয়ার জন্য তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। কেউ চার-পাঁচ ঘণ্টা, আবার কেউ সাত থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন। অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে অনেকে পিকআপ ভ্যান, রিকশা, ভ্যান কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশার মতো বিকল্প যানবাহনে মরদেহ ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের নিয়ে গন্তব্যে রওনা হতে বাধ্য হয়েছেন।

সকাল থেকেই হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট, কলেজ গেট এবং নতুন ভবনসহ আশপাশের এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও অনেক চালকই রোগী পরিবহন করেননি। জানা গেছে, পার্কিংয়ের দাবির প্রেক্ষিতে এই ধর্মঘট পালন করা হয়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ধর্মঘটে অংশ নেয়া মালিক সমিতির অ্যাম্বুলেন্স এবং অন্যান্য অ্যাম্বুলেন্সগুলোকেও হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সগুলোকেও তেমন রোগী পরিবহন করতে দেখা যায়নি।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ঢাকার বাইরে থেকে আসা রোগী এবং তাদের স্বজনরা। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের সময়মতো অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করতে না পেরে স্বজনদের উদ্বেগের মধ্যে সময় কাটাতে হয়েছে।