লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা মেডিকেলে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থার দাবিতে শুরু হওয়া বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ধর্মঘট আগামী সাত দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাদল মাদবর।

এর আগে ধর্মঘটের কারণে দিনভর ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর কিংবা হাসপাতাল থেকে স্বজনের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েন দর্শনার্থীরা। পরিস্থিতি বাধ্য হয়ে কেউ কেউ সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও কাভার্ড ভ্যানে করে স্বজনের মরদেহ নিয়ে যেতে বাধ্য হন।

বুধবার সকাল থেকেই হাসপাতালের বহির্বিভাগ এবং জরুরি বিভাগের নতুন ও পুরোনো ভবনের সামনে অ্যাম্বুলেন্সের অপেক্ষায় স্বজনদের আকুতি জানাতে দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, জরুরি সহায়তার জন্য জাতীয় সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করেও তারা কোনো ধরনের সাহায্য পাননি।

কর্মসূচির প্রেক্ষাপট জানিয়ে বাংলাদেশ বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাদল মাদবর জানান, ঢাকা মেডিকেলের প্রায় চার হাজার রোগীর সেবায় তাদের ১২০ থেকে ১৩০টি অ্যাম্বুলেন্স নিরবচ্ছিন্নভাবে নিয়োজিত থাকে। তবে হাসপাতালে কোনো সুনির্দিষ্ট পার্কিংয়ের জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে রাস্তায় গাড়ি রাখতে হয়। এতে পুলিশ নিয়মিত তাদের গাড়ি ডাম্পিংয়ে পাঠায় এবং মামলা দেয়। এসব হয়রানি বন্ধে সুনির্দিষ্ট পার্কিংয়ের দাবির কথা তুলে ধরেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় বাসা ভাড়া নিয়ে জাল নোটের কারবার, আটক ১

ঢাকা মেডিকেলে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:১৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থার দাবিতে শুরু হওয়া বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ধর্মঘট আগামী সাত দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাদল মাদবর।

এর আগে ধর্মঘটের কারণে দিনভর ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর কিংবা হাসপাতাল থেকে স্বজনের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েন দর্শনার্থীরা। পরিস্থিতি বাধ্য হয়ে কেউ কেউ সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও কাভার্ড ভ্যানে করে স্বজনের মরদেহ নিয়ে যেতে বাধ্য হন।

বুধবার সকাল থেকেই হাসপাতালের বহির্বিভাগ এবং জরুরি বিভাগের নতুন ও পুরোনো ভবনের সামনে অ্যাম্বুলেন্সের অপেক্ষায় স্বজনদের আকুতি জানাতে দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, জরুরি সহায়তার জন্য জাতীয় সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করেও তারা কোনো ধরনের সাহায্য পাননি।

কর্মসূচির প্রেক্ষাপট জানিয়ে বাংলাদেশ বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাদল মাদবর জানান, ঢাকা মেডিকেলের প্রায় চার হাজার রোগীর সেবায় তাদের ১২০ থেকে ১৩০টি অ্যাম্বুলেন্স নিরবচ্ছিন্নভাবে নিয়োজিত থাকে। তবে হাসপাতালে কোনো সুনির্দিষ্ট পার্কিংয়ের জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে রাস্তায় গাড়ি রাখতে হয়। এতে পুলিশ নিয়মিত তাদের গাড়ি ডাম্পিংয়ে পাঠায় এবং মামলা দেয়। এসব হয়রানি বন্ধে সুনির্দিষ্ট পার্কিংয়ের দাবির কথা তুলে ধরেন তিনি।