লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেলদুয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাছ কাটার ঘটনায় এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সীমানার ভেতরে থাকা বেশ কয়েকটি পুরোনো কড়ই ও মেহগনি গাছ অনুমতি ছাড়াই কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজিয়া আফরিনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় কাঠব্যবসায়ী বাবুল মিয়া গাছগুলো কিনে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, হাসপাতালের সীমানার ভেতরে গাছ কাটতে হলে পরিচালনা কমিটির সভার রেজুলেশন এবং বন বিভাগের লিখিত অনুমতির প্রয়োজন হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, ডা. সাজিয়া আফরিন এসব নিয়ম না মেনেই গাছগুলো বিক্রির উদ্যোগ নেন। এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হাসপাতালের ভেতরে থাকা এসব পুরোনো গাছ রোগী ও স্বজনদের ছায়া দেওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে আসছিল। গত শুক্রবার কাঠব্যবসায়ী বাবুল মিয়া গাছ কাটা শুরু করলে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে তিনি কাজ বন্ধ করে চলে যান। বর্তমানে হাসপাতালের ভেতরে গাছের বড় গুঁড়ি ও ডালপালা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে। গাছগুলোর ওপরের অংশ কাটা হলেও গোড়ার কিছু অংশ রয়ে গেছে, যা এলাকাবাসীর বাধার কারণে কাঠব্যবসায়ী সরিয়ে নিতে পারেননি।

এলাকাবাসী এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সরকার যেখানে বনায়ন ও গাছ রোপণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, সেখানে সরকারি হাসপাতাল চত্বরের গাছ কেটে ফেলা গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজিয়া আফরিন দাবি করেছেন, তিনি বন বিভাগ ও সিভিল সার্জনের মৌখিক অনুমতি নিয়ে কেবল ডালপালা ছাঁটাই করেছেন, কোনো গাছ কাটেননি। তবে দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোহরা সুলতানা যূথী জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তিনি কোনো চিঠি পাননি এবং তাকে মৌখিকভাবেও কিছু জানানো হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

দেলদুয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাছ কাটার ঘটনায় এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সীমানার ভেতরে থাকা বেশ কয়েকটি পুরোনো কড়ই ও মেহগনি গাছ অনুমতি ছাড়াই কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজিয়া আফরিনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় কাঠব্যবসায়ী বাবুল মিয়া গাছগুলো কিনে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, হাসপাতালের সীমানার ভেতরে গাছ কাটতে হলে পরিচালনা কমিটির সভার রেজুলেশন এবং বন বিভাগের লিখিত অনুমতির প্রয়োজন হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, ডা. সাজিয়া আফরিন এসব নিয়ম না মেনেই গাছগুলো বিক্রির উদ্যোগ নেন। এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হাসপাতালের ভেতরে থাকা এসব পুরোনো গাছ রোগী ও স্বজনদের ছায়া দেওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে আসছিল। গত শুক্রবার কাঠব্যবসায়ী বাবুল মিয়া গাছ কাটা শুরু করলে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে তিনি কাজ বন্ধ করে চলে যান। বর্তমানে হাসপাতালের ভেতরে গাছের বড় গুঁড়ি ও ডালপালা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে। গাছগুলোর ওপরের অংশ কাটা হলেও গোড়ার কিছু অংশ রয়ে গেছে, যা এলাকাবাসীর বাধার কারণে কাঠব্যবসায়ী সরিয়ে নিতে পারেননি।

এলাকাবাসী এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সরকার যেখানে বনায়ন ও গাছ রোপণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, সেখানে সরকারি হাসপাতাল চত্বরের গাছ কেটে ফেলা গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজিয়া আফরিন দাবি করেছেন, তিনি বন বিভাগ ও সিভিল সার্জনের মৌখিক অনুমতি নিয়ে কেবল ডালপালা ছাঁটাই করেছেন, কোনো গাছ কাটেননি। তবে দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোহরা সুলতানা যূথী জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তিনি কোনো চিঠি পাননি এবং তাকে মৌখিকভাবেও কিছু জানানো হয়নি।