লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিবিয়ার উপকূলে ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার, একজন বাংলাদেশি শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক প্রতিবেদন:

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমে জুওয়ারা উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে অন্তত ১৭ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে শনাক্ত করা গেছে।
লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার জানায়, ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার দূরের উপকূল এলাকা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেওয়া টিম সামাজিক মাধ্যমে ঘটনাটির কিছু ছবি প্রকাশ করেছে।
উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে ১৪ জনকে দাফন করা হয়েছে। শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ ত্রিপোলিতে অবস্থানরত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি দুইজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় নৌকাডুবি, খাদ্য ও পানির সংকটসহ নানা কারণে অভিবাসীদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকে। এ ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, লিবিয়া দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপগামী অভিবাসীদের একটি ঝুঁকিপূর্ণ ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। উন্নত জীবনের আশায় বহু মানুষ এই পথে যাত্রা করলেও প্রতিবছর প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর

লিবিয়ার উপকূলে ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার, একজন বাংলাদেশি শনাক্ত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৪০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক প্রতিবেদন:

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমে জুওয়ারা উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে অন্তত ১৭ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে শনাক্ত করা গেছে।
লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার জানায়, ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার দূরের উপকূল এলাকা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেওয়া টিম সামাজিক মাধ্যমে ঘটনাটির কিছু ছবি প্রকাশ করেছে।
উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে ১৪ জনকে দাফন করা হয়েছে। শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ ত্রিপোলিতে অবস্থানরত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি দুইজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় নৌকাডুবি, খাদ্য ও পানির সংকটসহ নানা কারণে অভিবাসীদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকে। এ ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, লিবিয়া দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপগামী অভিবাসীদের একটি ঝুঁকিপূর্ণ ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। উন্নত জীবনের আশায় বহু মানুষ এই পথে যাত্রা করলেও প্রতিবছর প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।