লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় বন্যা মোকাবিলায় সেনা মোতায়েন

টানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রাম জেলার সাতটি উপজেলায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় এসব এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআর জানায়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছেন। লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়া ভারী মৌসুমি বর্ষণে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাও ভয়াবহভাবে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনা সদস্যরা কাজ করছেন। উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন দুর্গত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের প্রভাব রুখতে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন কোটি ডলারের কর্মসূচি

চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় বন্যা মোকাবিলায় সেনা মোতায়েন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৪৫:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রাম জেলার সাতটি উপজেলায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় এসব এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআর জানায়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছেন। লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়া ভারী মৌসুমি বর্ষণে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাও ভয়াবহভাবে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনা সদস্যরা কাজ করছেন। উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন দুর্গত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।