লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি রপ্তানির আরো বাণিজ্যপথ বন্ধের হুমকি দিল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলার ঘটনার পর ইরান জ্বালানি রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আরও বাণিজ্যপথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই কথিত আগ্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের স্বার্থে ব্যবহৃত তেল ও গ্যাস রপ্তানির অন্যান্য পথও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। তবে ঠিক কোন কোন পথ এই হুমকির আওতায় পড়তে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি ইরান।

এর আগে বুধবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন, বিমান ও নৌবাহিনীর সমন্বয়ে অভিযান চালিয়েছে। এই সামরিক উত্তেজনার প্রতিক্রিয়ায় আইআরজিসি দেশটিকে সতর্ক করে বলেছে, তাদের মিত্রদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট রুটগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রত্যাশা করা উচিত। এদিকে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচার মাধ্যম দাবি করেছে, দেশটির সেনাবাহিনী জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে পৃথক হামলা পরিচালনা করেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তারা ইরান থেকে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।

সাম্প্রতিক এই সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালির কৌশলগত গুরুত্বকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। নতুন করে শুরু হওয়া এই হামলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদির তেল পাইপলাইন মেরামত করতে ৫ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে

জ্বালানি রপ্তানির আরো বাণিজ্যপথ বন্ধের হুমকি দিল ইরান

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলার ঘটনার পর ইরান জ্বালানি রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আরও বাণিজ্যপথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই কথিত আগ্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের স্বার্থে ব্যবহৃত তেল ও গ্যাস রপ্তানির অন্যান্য পথও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। তবে ঠিক কোন কোন পথ এই হুমকির আওতায় পড়তে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি ইরান।

এর আগে বুধবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন, বিমান ও নৌবাহিনীর সমন্বয়ে অভিযান চালিয়েছে। এই সামরিক উত্তেজনার প্রতিক্রিয়ায় আইআরজিসি দেশটিকে সতর্ক করে বলেছে, তাদের মিত্রদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট রুটগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রত্যাশা করা উচিত। এদিকে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচার মাধ্যম দাবি করেছে, দেশটির সেনাবাহিনী জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে পৃথক হামলা পরিচালনা করেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তারা ইরান থেকে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।

সাম্প্রতিক এই সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালির কৌশলগত গুরুত্বকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। নতুন করে শুরু হওয়া এই হামলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।