লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও: কলাপাড়ায় অফিস সহকারী বরখাস্ত

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী এবং প্রাইভেট শিক্ষক মো. জলিলুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার আপত্তিকর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ১ আগস্ট থেকে তার এই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিরন এবং প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান। গত ২৬ জুলাই ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, জলিলুর রহমান বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ইংরেজি বিষয়ের প্রাইভেট শিক্ষক হিসেবেও কাজ করতেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রাইভেট পড়ানোর সুবাদে তিনি দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে, এর আগেও তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল, তবে সে সময় কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২৭ জুলাই বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক শেখ মো. মাঈনুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেয়। বরখাস্তের আদেশে বলা হয়েছে, অভিযুক্তের কর্মকাণ্ড বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছে এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিরন জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা বিধি অনুযায়ী গ্রহণ করা হবে। অভিযুক্ত মো. জলিলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিম হাওলাদার জানান, এ বিষয়ে থানায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিটনেসবিহীন যান ও অদক্ষ চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে ডিএনসিসি

শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও: কলাপাড়ায় অফিস সহকারী বরখাস্ত

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৩১:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী এবং প্রাইভেট শিক্ষক মো. জলিলুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার আপত্তিকর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ১ আগস্ট থেকে তার এই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিরন এবং প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান। গত ২৬ জুলাই ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, জলিলুর রহমান বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ইংরেজি বিষয়ের প্রাইভেট শিক্ষক হিসেবেও কাজ করতেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রাইভেট পড়ানোর সুবাদে তিনি দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে, এর আগেও তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল, তবে সে সময় কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২৭ জুলাই বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক শেখ মো. মাঈনুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেয়। বরখাস্তের আদেশে বলা হয়েছে, অভিযুক্তের কর্মকাণ্ড বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছে এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিরন জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা বিধি অনুযায়ী গ্রহণ করা হবে। অভিযুক্ত মো. জলিলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিম হাওলাদার জানান, এ বিষয়ে থানায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।