লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে ৬ সপ্তাহের বকেয়া মজুরির দাবিতে চা-শ্রমিকদের অবস্থান

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের দেওরাছড়া চা বাগানে টানা ছয় সপ্তাহ ধরে মজুরি বন্ধ থাকার প্রতিবাদে কারখানার সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চা-শ্রমিকরা। সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল থেকেই শ্রমিকরা কারখানার সামনে সমবেত হয়ে তাদের বকেয়া মজুরির দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা জানান, টানা ছয় সপ্তাহ ধরে তাদের সাপ্তাহিক মজুরি বা তলব বকেয়া রয়েছে। নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক উর্ধ্বগতির এই সময়ে নিয়মিত মজুরি না পাওয়ায় চাল-ডালসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য কেনা তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এছাড়া সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জোগানো এবং পরিবারের অসুস্থ সদস্যদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তারা জানান। জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে অনেকেই চড়া সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এই মানবেতর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে শ্রমিকরা অবিলম্বে সব বকেয়া মজুরি এককালীন পরিশোধের জোর দাবি জানিয়েছেন।

রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার বলেন, শ্রমিকদের এই মানবিক সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে তারা আরও কঠোর ও লাগাতার কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত চা-শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে সরকারি সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে।

দেওরাছড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ আল নোমান জানান, চা বোর্ডের সঙ্গে বাগানের অভ্যন্তরীণ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত বিষয়টি সমাধান করা হবে এবং শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুম প্রতিরোধে যাবজ্জীবন ও মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইনের খসড়া অনুমোদন

মৌলভীবাজারে ৬ সপ্তাহের বকেয়া মজুরির দাবিতে চা-শ্রমিকদের অবস্থান

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের দেওরাছড়া চা বাগানে টানা ছয় সপ্তাহ ধরে মজুরি বন্ধ থাকার প্রতিবাদে কারখানার সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চা-শ্রমিকরা। সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল থেকেই শ্রমিকরা কারখানার সামনে সমবেত হয়ে তাদের বকেয়া মজুরির দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা জানান, টানা ছয় সপ্তাহ ধরে তাদের সাপ্তাহিক মজুরি বা তলব বকেয়া রয়েছে। নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক উর্ধ্বগতির এই সময়ে নিয়মিত মজুরি না পাওয়ায় চাল-ডালসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য কেনা তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এছাড়া সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জোগানো এবং পরিবারের অসুস্থ সদস্যদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তারা জানান। জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে অনেকেই চড়া সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এই মানবেতর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে শ্রমিকরা অবিলম্বে সব বকেয়া মজুরি এককালীন পরিশোধের জোর দাবি জানিয়েছেন।

রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার বলেন, শ্রমিকদের এই মানবিক সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে তারা আরও কঠোর ও লাগাতার কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত চা-শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে সরকারি সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে।

দেওরাছড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ আল নোমান জানান, চা বোর্ডের সঙ্গে বাগানের অভ্যন্তরীণ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত বিষয়টি সমাধান করা হবে এবং শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।