লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রদল ও শিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে গত সোমবার হওয়া সংঘর্ষের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই কমিটি গঠনের তথ্য জানানো হয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানাকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী প্রক্টর মো. আব্দুল্লাহ আল মাহবুব, বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আমির শরীফ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানজিউল ইসলাম জীবন এবং রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হারুন-আল রশিদ।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কমিটিকে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন, দায়-দায়িত্ব নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।

এদিকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. মাসুদ রানা জানিয়েছেন, তাকে না জানিয়েই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না এবং এটি তার বিভাগের ইন্ডাস্ট্রি ভিজিটের জন্য রংপুরের বাইরে থাকার সময় হয়েছে। সাধারণত কোনো কমিটিতে নাম দেওয়ার আগে মতামত নেওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে শিবির ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করছিল। ছাত্রদলের অভিযোগ, সেখানে প্রদর্শিত একটি ফেস্টুনে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী এবং যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত কয়েকজন জামায়াত নেতার ছবি ছিল। ওই ফেস্টুন অপসারণের দাবিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনার পর ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে শিবির ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলইডি স্ক্রিনে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন প্রদর্শন করছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের সঙ্গে চুক্তির ইঙ্গিতে আন্তর্জাতিক বাজারে কমল তেলের দাম

বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রদল ও শিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে গত সোমবার হওয়া সংঘর্ষের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই কমিটি গঠনের তথ্য জানানো হয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানাকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী প্রক্টর মো. আব্দুল্লাহ আল মাহবুব, বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আমির শরীফ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানজিউল ইসলাম জীবন এবং রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হারুন-আল রশিদ।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কমিটিকে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন, দায়-দায়িত্ব নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।

এদিকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. মাসুদ রানা জানিয়েছেন, তাকে না জানিয়েই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না এবং এটি তার বিভাগের ইন্ডাস্ট্রি ভিজিটের জন্য রংপুরের বাইরে থাকার সময় হয়েছে। সাধারণত কোনো কমিটিতে নাম দেওয়ার আগে মতামত নেওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে শিবির ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করছিল। ছাত্রদলের অভিযোগ, সেখানে প্রদর্শিত একটি ফেস্টুনে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী এবং যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত কয়েকজন জামায়াত নেতার ছবি ছিল। ওই ফেস্টুন অপসারণের দাবিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনার পর ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে শিবির ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলইডি স্ক্রিনে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন প্রদর্শন করছিল।