লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনাকে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ফ্যাসিস্ট বললেন রুহুল কবির রিজভী

রাজধানীর গুলশানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গত ১৭ বছরের আন্দোলনের চিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, শেখ হাসিনা ছিলেন ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ও ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট। তিনি বলেন, যদিও ইতিহাসের অন্যান্য নিষ্ঠুর ফ্যাসিস্ট ও নাৎসিরা জোর করে ক্ষমতায় টিকে ছিল, তবে শেখ হাসিনার সাথে তাদের মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে।

রিজভী বলেন, হিটলার বা মুসোলিনির মতো ফ্যাসিস্টরা জাতিগত নিপীড়নের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করলেও তারা নিজ জাতিকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছিল। তাদের মূল এজেন্ডা শেখ হাসিনার মতো টাকা পাচার, ব্যাংক লুট, শেয়ারবাজার ধ্বংস বা সরকারি জমি দখলের মতো কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ ছিল না। তার ভাষ্যমতে, ওইসব ফ্যাসিস্টদের দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকলেও শেখ হাসিনার প্রধান লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্র লুণ্ঠন করে নিজের আত্মীয়স্বজনদের বিদেশে প্রতিষ্ঠিত করা।

বিএনপির এই নেতা আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের উত্থান হয়েছিল এক বিশেষ চোরাপথে। প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে তারা নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে জনগণের রক্ত ঝরাতে দ্বিধা করেনি। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল অত্যাচারীর বিরুদ্ধে জনগণের সুপ্ত শক্তির এক বিশাল পারমাণবিক বিস্ফোরণ। শেখ হাসিনা জনগণের এই শক্তির গভীরতা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিলেন বলেই বারবার পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিলেন, যা বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া আর কেউ সমর্থন করেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিবির সভাপতিকে ছাত্রদলের পাল্টা চ্যালেঞ্জ: ‘১০-২০ জন সভাপতিও কিছু করতে পারবে না’

শেখ হাসিনাকে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ফ্যাসিস্ট বললেন রুহুল কবির রিজভী

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৫১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর গুলশানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গত ১৭ বছরের আন্দোলনের চিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, শেখ হাসিনা ছিলেন ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ও ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট। তিনি বলেন, যদিও ইতিহাসের অন্যান্য নিষ্ঠুর ফ্যাসিস্ট ও নাৎসিরা জোর করে ক্ষমতায় টিকে ছিল, তবে শেখ হাসিনার সাথে তাদের মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে।

রিজভী বলেন, হিটলার বা মুসোলিনির মতো ফ্যাসিস্টরা জাতিগত নিপীড়নের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করলেও তারা নিজ জাতিকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছিল। তাদের মূল এজেন্ডা শেখ হাসিনার মতো টাকা পাচার, ব্যাংক লুট, শেয়ারবাজার ধ্বংস বা সরকারি জমি দখলের মতো কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ ছিল না। তার ভাষ্যমতে, ওইসব ফ্যাসিস্টদের দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকলেও শেখ হাসিনার প্রধান লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্র লুণ্ঠন করে নিজের আত্মীয়স্বজনদের বিদেশে প্রতিষ্ঠিত করা।

বিএনপির এই নেতা আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের উত্থান হয়েছিল এক বিশেষ চোরাপথে। প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে তারা নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে জনগণের রক্ত ঝরাতে দ্বিধা করেনি। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল অত্যাচারীর বিরুদ্ধে জনগণের সুপ্ত শক্তির এক বিশাল পারমাণবিক বিস্ফোরণ। শেখ হাসিনা জনগণের এই শক্তির গভীরতা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিলেন বলেই বারবার পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিলেন, যা বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া আর কেউ সমর্থন করেনি।