লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ বছরের মধ্যে মানবজাতিকে নিশ্চিহ্ন করতে পারে এআই, গবেষকের শঙ্কা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির কারণে আগামী এক দশকের মধ্যে মানবজাতি পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এআই নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের শীর্ষ গবেষক ইভান হুবিঙ্গার সতর্ক করে জানিয়েছেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে এমনটি ঘটার আশঙ্কা ১০ শতাংশের বেশি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ইভান হুবিঙ্গার জানান, বর্তমানে যেসব এআই মডেল রয়েছে, সেগুলোর কারণে ঝুঁকির মাত্রা ‘কম’। তবে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। খুব শিগগিরই এটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছাবে যেখানে এআই নিজেই নিজের উন্নয়ন ঘটাতে পারবে। আর তখনই মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য এক বিরাট হুমকি তৈরি হতে পারে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। যদিও এআই কীভাবে মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা তিনি দেননি।

অ্যানথ্রপিকের সাবেক গবেষক জ্যাকব কক্সনের একটি পোস্টের জবাবে হুবিঙ্গার এই মন্তব্য করেন। সম্প্রতি অ্যানথ্রপিক ছেড়ে আসা কক্সন এর আগে ওপেনএআইতেও কাজ করেছেন। এক্সে দেওয়া নিজের পোস্টে কক্সন সমালোচনা করে লেখেন, কোনো প্রতিষ্ঠানই এখন দায়িত্বশীল আচরণ করছে না। খুব দ্রুতই এআই সিস্টেমগুলো অতিমানবীয় সক্ষমতা অর্জন করবে, যা যেকোনো কিছু হ্যাক করতে পারবে এবং রাতারাতি যেকোনো খাতকে বদলে দিতে পারবে। একই সঙ্গে এগুলো বাস্তব ক্ষমতা ও সম্পদ অর্জন করতে সক্ষম হবে।

গবেষকদের এমন মন্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘকে এআই বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া কম্পিউটার বিজ্ঞানী ডেম ওয়েন্ডি হল। বিবিসি রেডিও ফোরের ‘ওয়ার্ল্ড অ্যাট ওয়ান’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই ধরনের মন্তব্যগুলো হয়তো এক ধরনের ‘জনসংযোগ ও বিপণন কৌশলের’ অংশ হতে পারে। কারণ অ্যানথ্রপিক এবং ওপেনএআই—দুইটি প্রতিষ্ঠানই শেয়ারবাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এদিকে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এআই ঝুঁকি মূল্যায়নকারী সংস্থা যুক্তরাজ্যের এআই সেফটি ইনস্টিটিউটের (এআইএসআই) কাছে নিজেদের সর্বশেষ এআই মডেলটি হস্তান্তর করেনি অ্যানথ্রপিক। কর্মীদের এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট কিংবা এআইএসআই সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মোবাইল হ্যাক ও ভয়েস ক্লোন নিয়ে সংসদ সদস্যদের সতর্ক করলেন চিফ হুইপ

১০ বছরের মধ্যে মানবজাতিকে নিশ্চিহ্ন করতে পারে এআই, গবেষকের শঙ্কা

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির কারণে আগামী এক দশকের মধ্যে মানবজাতি পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এআই নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের শীর্ষ গবেষক ইভান হুবিঙ্গার সতর্ক করে জানিয়েছেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে এমনটি ঘটার আশঙ্কা ১০ শতাংশের বেশি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ইভান হুবিঙ্গার জানান, বর্তমানে যেসব এআই মডেল রয়েছে, সেগুলোর কারণে ঝুঁকির মাত্রা ‘কম’। তবে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। খুব শিগগিরই এটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছাবে যেখানে এআই নিজেই নিজের উন্নয়ন ঘটাতে পারবে। আর তখনই মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য এক বিরাট হুমকি তৈরি হতে পারে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। যদিও এআই কীভাবে মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা তিনি দেননি।

অ্যানথ্রপিকের সাবেক গবেষক জ্যাকব কক্সনের একটি পোস্টের জবাবে হুবিঙ্গার এই মন্তব্য করেন। সম্প্রতি অ্যানথ্রপিক ছেড়ে আসা কক্সন এর আগে ওপেনএআইতেও কাজ করেছেন। এক্সে দেওয়া নিজের পোস্টে কক্সন সমালোচনা করে লেখেন, কোনো প্রতিষ্ঠানই এখন দায়িত্বশীল আচরণ করছে না। খুব দ্রুতই এআই সিস্টেমগুলো অতিমানবীয় সক্ষমতা অর্জন করবে, যা যেকোনো কিছু হ্যাক করতে পারবে এবং রাতারাতি যেকোনো খাতকে বদলে দিতে পারবে। একই সঙ্গে এগুলো বাস্তব ক্ষমতা ও সম্পদ অর্জন করতে সক্ষম হবে।

গবেষকদের এমন মন্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘকে এআই বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া কম্পিউটার বিজ্ঞানী ডেম ওয়েন্ডি হল। বিবিসি রেডিও ফোরের ‘ওয়ার্ল্ড অ্যাট ওয়ান’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই ধরনের মন্তব্যগুলো হয়তো এক ধরনের ‘জনসংযোগ ও বিপণন কৌশলের’ অংশ হতে পারে। কারণ অ্যানথ্রপিক এবং ওপেনএআই—দুইটি প্রতিষ্ঠানই শেয়ারবাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এদিকে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এআই ঝুঁকি মূল্যায়নকারী সংস্থা যুক্তরাজ্যের এআই সেফটি ইনস্টিটিউটের (এআইএসআই) কাছে নিজেদের সর্বশেষ এআই মডেলটি হস্তান্তর করেনি অ্যানথ্রপিক। কর্মীদের এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট কিংবা এআইএসআই সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।