লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভৈরবে জে আই ইমপ্রেক্সে কাস্টমসের রহস্যজনক অভিযান ও মালামাল জব্দ

কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারে অবস্থিত জে আই ইমপ্রেক্স নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢাকা পূর্বাঞ্চলীয় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের একটি দল প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পরিচালিত এই অভিযানটি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন ঢাকা পূর্বাঞ্চলীয় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের যুগ্ম কমিশনার রাবেয়া খাতুন। অভিযানের খবর পেয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

অভিযান চলাকালীন জে আই ইমপ্রেক্সের পক্ষ থেকে কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তাদের মিষ্টি, দুধ ও পানির বোতল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তল্লাশি কার্যক্রম চলার পর কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নথিপত্র ও কিছু মালামাল জব্দ করেন। পরে সেগুলো কাস্টমসের গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। তবে অভিযানের প্রকৃত উদ্দেশ্য বা সেখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসংগতি পাওয়া গেছে কি না, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য জানা যায়নি।

অভিযান শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা যুগ্ম কমিশনার রাবেয়া খাতুনের কাছে অভিযানের কারণ, জব্দ করা মালামাল ও পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়েই দ্রুত গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এর আগে অভিযানের শুরুতে ফলাফল জানানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা রক্ষা করা হয়নি।

জে আই ইমপ্রেক্সের মালিকপক্ষের প্রতিনিধি শুভ জয় গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, কাস্টমস কর্মকর্তাদের এই অভিযানের ফলে তাদের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সরকারি সংস্থার অভিযান হলে সেখানে কী কারণে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, কী পাওয়া গেছে এবং পরবর্তী আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ কী হবে, তা জানার অধিকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের রয়েছে।

একদিকে সরকারি রাজস্ব আদায়কারী সংস্থার অভিযান, অন্যদিকে অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কর্মকর্তাদের আপ্যায়ন এবং শেষে নথিপত্র ও মালামাল জব্দ করে কর্মকর্তাদের দ্রুত চলে যাওয়া নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে আপ্যায়নের সঙ্গে অভিযান পরিচালনা বা জব্দ কার্যক্রমের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, সেটি নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সংকটে দিশেহারা সিএনজি চালক: কমছে আয়, বাড়ছে ভোগান্তি

ভৈরবে জে আই ইমপ্রেক্সে কাস্টমসের রহস্যজনক অভিযান ও মালামাল জব্দ

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারে অবস্থিত জে আই ইমপ্রেক্স নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢাকা পূর্বাঞ্চলীয় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের একটি দল প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পরিচালিত এই অভিযানটি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন ঢাকা পূর্বাঞ্চলীয় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের যুগ্ম কমিশনার রাবেয়া খাতুন। অভিযানের খবর পেয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

অভিযান চলাকালীন জে আই ইমপ্রেক্সের পক্ষ থেকে কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তাদের মিষ্টি, দুধ ও পানির বোতল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তল্লাশি কার্যক্রম চলার পর কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নথিপত্র ও কিছু মালামাল জব্দ করেন। পরে সেগুলো কাস্টমসের গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। তবে অভিযানের প্রকৃত উদ্দেশ্য বা সেখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসংগতি পাওয়া গেছে কি না, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য জানা যায়নি।

অভিযান শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা যুগ্ম কমিশনার রাবেয়া খাতুনের কাছে অভিযানের কারণ, জব্দ করা মালামাল ও পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়েই দ্রুত গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এর আগে অভিযানের শুরুতে ফলাফল জানানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা রক্ষা করা হয়নি।

জে আই ইমপ্রেক্সের মালিকপক্ষের প্রতিনিধি শুভ জয় গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, কাস্টমস কর্মকর্তাদের এই অভিযানের ফলে তাদের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সরকারি সংস্থার অভিযান হলে সেখানে কী কারণে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, কী পাওয়া গেছে এবং পরবর্তী আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ কী হবে, তা জানার অধিকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের রয়েছে।

একদিকে সরকারি রাজস্ব আদায়কারী সংস্থার অভিযান, অন্যদিকে অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কর্মকর্তাদের আপ্যায়ন এবং শেষে নথিপত্র ও মালামাল জব্দ করে কর্মকর্তাদের দ্রুত চলে যাওয়া নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে আপ্যায়নের সঙ্গে অভিযান পরিচালনা বা জব্দ কার্যক্রমের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, সেটি নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।