লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমার দেশ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় বিপিটির নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের ফেসবুক লাইভে এসে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে কটূক্তি করা এবং পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ পলিটিক্যাল থিংকারস’ (বিপিটি)।

বিপিটির কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার মো. নূর নবী এক বিবৃতিতে বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে যখন অধিকাংশ মিডিয়া সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছিল, তখন দৈনিক আমার দেশ গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে দাঁড়িয়েছিল। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ এবং সরকারের মুখপত্র না হওয়ার কারণে সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর তখন নানা খড়্গ নেমে আসে। লাগাতার মামলা ও হামলার মুখে তাকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয় এবং পত্রিকাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই-উত্তর বাংলাদেশে গণমাধ্যমের প্রতি এমন জিঘাংসা প্রদর্শন সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। বিবৃতিতে রাশেদ খানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে বলা হয়, তিনি নিজের গঠিত দল গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করে বিগত সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনরায়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে টক শো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের চরিত্রহনন ছাড়া তার উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি।

সম্প্রতি আমার দেশ পত্রিকার একটি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে রাশেদ খান তার ভেরিফাইড ফেসবুক লাইভে এসে বরেণ্য সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি এবং পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাটি দেশবাসীকে হতবাক করেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। ইঞ্জিনিয়ার মো. নূর নবী রাশেদ খানের এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণকে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে নিন্দা জানান। তিনি অবিলম্বে রাশেদ খানকে রাজনৈতিক সহকারীর পদ থেকে অপসারণ করে গণমাধ্যমের ওপর বল প্রয়োগের এই ঘৃণ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি বন্ধের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

আমার দেশ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় বিপিটির নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের ফেসবুক লাইভে এসে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে কটূক্তি করা এবং পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ পলিটিক্যাল থিংকারস’ (বিপিটি)।

বিপিটির কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার মো. নূর নবী এক বিবৃতিতে বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে যখন অধিকাংশ মিডিয়া সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছিল, তখন দৈনিক আমার দেশ গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে দাঁড়িয়েছিল। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ এবং সরকারের মুখপত্র না হওয়ার কারণে সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর তখন নানা খড়্গ নেমে আসে। লাগাতার মামলা ও হামলার মুখে তাকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয় এবং পত্রিকাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই-উত্তর বাংলাদেশে গণমাধ্যমের প্রতি এমন জিঘাংসা প্রদর্শন সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। বিবৃতিতে রাশেদ খানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে বলা হয়, তিনি নিজের গঠিত দল গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করে বিগত সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনরায়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে টক শো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের চরিত্রহনন ছাড়া তার উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি।

সম্প্রতি আমার দেশ পত্রিকার একটি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে রাশেদ খান তার ভেরিফাইড ফেসবুক লাইভে এসে বরেণ্য সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি এবং পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাটি দেশবাসীকে হতবাক করেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। ইঞ্জিনিয়ার মো. নূর নবী রাশেদ খানের এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণকে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে নিন্দা জানান। তিনি অবিলম্বে রাশেদ খানকে রাজনৈতিক সহকারীর পদ থেকে অপসারণ করে গণমাধ্যমের ওপর বল প্রয়োগের এই ঘৃণ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি বন্ধের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।