লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলে সরকার গঠনের দাবিতে রাজপথে হাজারো মানুষ

ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনে কোনো দল বা জোট এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে রাজপথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। শনিবার তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ারে প্রায় দুই হাজার মানুষ জড়ো হয়ে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরোধী ইহুদি ও আরব রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জোট সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা ‘ইহুদি ও আরবরা একে অপরের শত্রু হতে চায় না’ এবং ‘বর্ণবাদের বিরুদ্ধে, সম্প্রীতির পক্ষে’ স্লোগান দিয়ে রাবিন স্কয়ার পর্যন্ত পদযাত্রা করেন। তাঁদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে ‘পরিবর্তন আনার জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে’, ‘সবার জন্য সমতা’ এবং ‘অংশীদারত্ব ও সমতার মধ্য দিয়ে আমরা সরকার পরিবর্তন করব’—এমন বার্তা দেখা গেছে।

স্ট্যান্ডিং টুগেদার নামের একটি গোষ্ঠীর আয়োজনে জেরুজালেমসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে একই দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার হার্জলিয়া শহরেও সরকার গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছিল। ২৮ অক্টোবরের নির্বাচনে ১২০ আসনের পার্লামেন্টে নেতানিয়াহুর কট্টর ডানপন্থী জোট পেয়েছে ৫৩ আসন, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮টি এবং আরব দলগুলো পেয়েছে ১৯টি আসন। আইজেনকটের জোট আরব দলগুলোর সঙ্গে হাত মেলালে ৬৭ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নেতানিয়াহুকে হটিয়ে সরকার গঠন করা সম্ভব। ইয়ার গোলানসহ বিরোধী দলগুলোর কয়েকজন নেতা আরব দলগুলোর সঙ্গে কাজ করার পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক বারাক সেরি জানিয়েছেন, নতুন পার্লামেন্টের শুরুর দিনই স্পিকার আমির ওহানাকে সরিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদকে নিয়োগের বিষয়ে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।

তবে বিরোধী জোটের ভেতরেই আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। ইয়াশার, বি’য়াচাদ ও ইসরায়েল বেইতেনু আরব দলগুলোকে নিয়ে সরকার গঠনে আগ্রহী নয়, যা সরকার গঠন প্রক্রিয়াকে অনিশ্চিত করে রেখেছে। অন্যদিকে, শনিবার হাবিমা স্কয়ারে নেতানিয়াহুর প্রায় ২০০ সমর্থক পাল্টা বিক্ষোভ করেছেন। তাঁরা আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নির্বাচন ‘চুরি’ করার অভিযোগ তুলে ‘সন্ত্রাসীদের গাজায় পাঠাও’ ও ‘ইহুদি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণের অধিকার আরবদের দেওয়া হবে না’—এমন স্লোগান দেন। বিদায়ী পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বিক্ষোভে উপস্থিত হয়ে কাউকে নির্বাচন চুরি করতে না দেওয়ার ঘোষণা দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই: ইরান

ইসরায়েলে সরকার গঠনের দাবিতে রাজপথে হাজারো মানুষ

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনে কোনো দল বা জোট এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে রাজপথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। শনিবার তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ারে প্রায় দুই হাজার মানুষ জড়ো হয়ে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরোধী ইহুদি ও আরব রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জোট সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা ‘ইহুদি ও আরবরা একে অপরের শত্রু হতে চায় না’ এবং ‘বর্ণবাদের বিরুদ্ধে, সম্প্রীতির পক্ষে’ স্লোগান দিয়ে রাবিন স্কয়ার পর্যন্ত পদযাত্রা করেন। তাঁদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে ‘পরিবর্তন আনার জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে’, ‘সবার জন্য সমতা’ এবং ‘অংশীদারত্ব ও সমতার মধ্য দিয়ে আমরা সরকার পরিবর্তন করব’—এমন বার্তা দেখা গেছে।

স্ট্যান্ডিং টুগেদার নামের একটি গোষ্ঠীর আয়োজনে জেরুজালেমসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে একই দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার হার্জলিয়া শহরেও সরকার গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছিল। ২৮ অক্টোবরের নির্বাচনে ১২০ আসনের পার্লামেন্টে নেতানিয়াহুর কট্টর ডানপন্থী জোট পেয়েছে ৫৩ আসন, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮টি এবং আরব দলগুলো পেয়েছে ১৯টি আসন। আইজেনকটের জোট আরব দলগুলোর সঙ্গে হাত মেলালে ৬৭ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নেতানিয়াহুকে হটিয়ে সরকার গঠন করা সম্ভব। ইয়ার গোলানসহ বিরোধী দলগুলোর কয়েকজন নেতা আরব দলগুলোর সঙ্গে কাজ করার পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক বারাক সেরি জানিয়েছেন, নতুন পার্লামেন্টের শুরুর দিনই স্পিকার আমির ওহানাকে সরিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদকে নিয়োগের বিষয়ে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।

তবে বিরোধী জোটের ভেতরেই আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। ইয়াশার, বি’য়াচাদ ও ইসরায়েল বেইতেনু আরব দলগুলোকে নিয়ে সরকার গঠনে আগ্রহী নয়, যা সরকার গঠন প্রক্রিয়াকে অনিশ্চিত করে রেখেছে। অন্যদিকে, শনিবার হাবিমা স্কয়ারে নেতানিয়াহুর প্রায় ২০০ সমর্থক পাল্টা বিক্ষোভ করেছেন। তাঁরা আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নির্বাচন ‘চুরি’ করার অভিযোগ তুলে ‘সন্ত্রাসীদের গাজায় পাঠাও’ ও ‘ইহুদি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণের অধিকার আরবদের দেওয়া হবে না’—এমন স্লোগান দেন। বিদায়ী পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বিক্ষোভে উপস্থিত হয়ে কাউকে নির্বাচন চুরি করতে না দেওয়ার ঘোষণা দেন।