লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রিকস সম্মেলনে ভারত-চীন মতপার্থক্য সামলানোর বার্তা বেইজিংয়ের

দক্ষিণ এশিয়া ও বৈশ্বিক রাজনীতির মঞ্চে ভারত ও চীন একে অপরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। তবে এই দুই দেশের সরকার প্রধানের সাক্ষাৎ ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন কূটনৈতিক প্রত্যাশা। ভারতের নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে বেইজিং থেকে রওনা হয়ে ভারতে পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। প্রায় সাত বছর পর এটি তার ভারত সফর।

বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় চীন ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান মতপার্থক্যগুলো ‘যথাযথভাবে’ সামলাতে কাজ করবে। ভারতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং শুক্রবার রাতে এক্সে দেয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চীন ও ভারত দুই দেশের নেতাদের কৌশলগত দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে এগিয়ে নিতে চায়। বেইজিং যোগাযোগ বাড়ানো, সহযোগিতা জোরদার এবং মতপার্থক্যগুলো যথাযথভাবে সামলানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং আরও জানান, কাজান ও তিয়ানজিনে বৈঠকের পর টানা তৃতীয় বছরের মতো এই দুই নেতা মুখোমুখি বৈঠকে বসছেন। শনিবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে মোদি ও শির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিংও একই সুরে মন্তব্য করেছেন যে, দুই দেশের নেতাদের নির্দেশনায় চীন ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাদের সংঘর্ষের পর থেকে সীমান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ভারত-চীন সম্পর্ক শীতল ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কাজান ও তিয়ানজিনে মোদি-শি বৈঠকের পর সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়া দৃশ্যমান হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, শি জিনপিংয়ের সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য চাই ছি এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে দুই দিনব্যাপী ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে পুতিনের সুরক্ষায় ‘চলন্ত বাঙ্কার’ ও ‘উড়ন্ত ক্রেমলিন’

ব্রিকস সম্মেলনে ভারত-চীন মতপার্থক্য সামলানোর বার্তা বেইজিংয়ের

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দক্ষিণ এশিয়া ও বৈশ্বিক রাজনীতির মঞ্চে ভারত ও চীন একে অপরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। তবে এই দুই দেশের সরকার প্রধানের সাক্ষাৎ ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন কূটনৈতিক প্রত্যাশা। ভারতের নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে বেইজিং থেকে রওনা হয়ে ভারতে পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। প্রায় সাত বছর পর এটি তার ভারত সফর।

বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় চীন ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান মতপার্থক্যগুলো ‘যথাযথভাবে’ সামলাতে কাজ করবে। ভারতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং শুক্রবার রাতে এক্সে দেয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চীন ও ভারত দুই দেশের নেতাদের কৌশলগত দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে এগিয়ে নিতে চায়। বেইজিং যোগাযোগ বাড়ানো, সহযোগিতা জোরদার এবং মতপার্থক্যগুলো যথাযথভাবে সামলানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং আরও জানান, কাজান ও তিয়ানজিনে বৈঠকের পর টানা তৃতীয় বছরের মতো এই দুই নেতা মুখোমুখি বৈঠকে বসছেন। শনিবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে মোদি ও শির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিংও একই সুরে মন্তব্য করেছেন যে, দুই দেশের নেতাদের নির্দেশনায় চীন ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাদের সংঘর্ষের পর থেকে সীমান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ভারত-চীন সম্পর্ক শীতল ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কাজান ও তিয়ানজিনে মোদি-শি বৈঠকের পর সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়া দৃশ্যমান হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, শি জিনপিংয়ের সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য চাই ছি এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে দুই দিনব্যাপী ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।