লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে মেডিকেইড জালিয়াতি: বাংলাদেশি নারীর ৭৬ মাসের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে ৬৪ মিলিয়ন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৯২ কোটি ২৫ লাখ টাকা) মেডিকেইড জালিয়াতি ও অবৈধ ঘুষ কেলেঙ্কারির দায়ে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নারীকে ৭৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিত ওই নারীর নাম জাকিয়া খান (৫৫)। তিনি দুটি সামাজিক বয়স্ক ডে-কেয়ার সেন্টার এবং একটি হোম হেলথ কেয়ার কোম্পানি পরিচালনা করতেন। মূলত এসব বৃদ্ধাশ্রমের আড়ালেই তিনি এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের নেতৃত্ব দেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট জজ নাতাশা সি. মার্লে এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের তথ্যমতে, জাকিয়ার পরিচালিত প্রতিষ্ঠান দুটি প্রায় ৬৪ মিলিয়ন ডলারের ভুয়া বিল সরকারি স্বাস্থ্য বীমা প্রোগ্রামে জমা দিয়েছিল। এর মধ্যে সরকার প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলার বা ৬৯২ কোটি টাকা পরিশোধ করে। তদন্তে জানা যায়, প্রবীণদের কোনো সেবা না দিয়েও নগদ অর্থের বিনিময়ে তাদের দিয়ে ভুয়া উপস্থিতির কাগজে সই করানো হতো এবং পরে সেই নথি ব্যবহার করে সরকারি অর্থের দাবি করা হতো।

তদন্তকারীরা জাকিয়ার অফিসে ঘুষ লেনদেনের ভিডিও ফুটেজও উদ্ধার করেছেন। জালিয়াতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থে তিনি বিলাসবহুল বাড়ি, প্রচুর নগদ অর্থ ও সোনার গয়না সংগ্রহ করেছিলেন। গত বছর জাকিয়া নিজের দোষ স্বীকার করেন। সাজার পাশাপাশি আদালত তাকে সরকারের কাছ থেকে নেওয়া প্রায় ৬৯২ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া তার দুটি বাড়ি, নগদ অর্থ ও সোনাসহ প্রায় ৬২ কোটি টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউক্রেনকে ৮৫ হাজার কোটি টাকার সামরিক সহায়তা দেবে ইউরোপীয় কমিশন

যুক্তরাষ্ট্রে মেডিকেইড জালিয়াতি: বাংলাদেশি নারীর ৭৬ মাসের কারাদণ্ড

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে ৬৪ মিলিয়ন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৯২ কোটি ২৫ লাখ টাকা) মেডিকেইড জালিয়াতি ও অবৈধ ঘুষ কেলেঙ্কারির দায়ে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নারীকে ৭৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিত ওই নারীর নাম জাকিয়া খান (৫৫)। তিনি দুটি সামাজিক বয়স্ক ডে-কেয়ার সেন্টার এবং একটি হোম হেলথ কেয়ার কোম্পানি পরিচালনা করতেন। মূলত এসব বৃদ্ধাশ্রমের আড়ালেই তিনি এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের নেতৃত্ব দেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট জজ নাতাশা সি. মার্লে এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের তথ্যমতে, জাকিয়ার পরিচালিত প্রতিষ্ঠান দুটি প্রায় ৬৪ মিলিয়ন ডলারের ভুয়া বিল সরকারি স্বাস্থ্য বীমা প্রোগ্রামে জমা দিয়েছিল। এর মধ্যে সরকার প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলার বা ৬৯২ কোটি টাকা পরিশোধ করে। তদন্তে জানা যায়, প্রবীণদের কোনো সেবা না দিয়েও নগদ অর্থের বিনিময়ে তাদের দিয়ে ভুয়া উপস্থিতির কাগজে সই করানো হতো এবং পরে সেই নথি ব্যবহার করে সরকারি অর্থের দাবি করা হতো।

তদন্তকারীরা জাকিয়ার অফিসে ঘুষ লেনদেনের ভিডিও ফুটেজও উদ্ধার করেছেন। জালিয়াতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থে তিনি বিলাসবহুল বাড়ি, প্রচুর নগদ অর্থ ও সোনার গয়না সংগ্রহ করেছিলেন। গত বছর জাকিয়া নিজের দোষ স্বীকার করেন। সাজার পাশাপাশি আদালত তাকে সরকারের কাছ থেকে নেওয়া প্রায় ৬৯২ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া তার দুটি বাড়ি, নগদ অর্থ ও সোনাসহ প্রায় ৬২ কোটি টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।