লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন নউল, জরুরি সতর্কতা জারি

শক্তিশালী টাইফুন ‘নউল’ চীনের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকাগুলোর দিকে দ্রুত ধেয়ে আসছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দেশটির কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, হংকং থেকে গুয়াংডং প্রদেশ পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার সকালের মধ্যে টাইফুনটি আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করছে চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আবহাওয়া অফিস চার স্তরের সতর্কতা ব্যবস্থার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ‘কমলা সতর্কতা’ বহাল রেখেছে।

সতর্কতার অংশ হিসেবে গুয়াংডং ও পার্শ্ববর্তী ফুজিয়ান প্রদেশের কিছু এলাকায় প্রবল ঝোড়ো বাতাস ও ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার রাত পর্যন্ত গুয়াংডং প্রদেশে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাগরে থাকা মাছ ধরার সব নৌযানকে নিরাপদে বন্দরে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং সেগুলো ইতোমধ্যে বন্দরে ফিরে এসেছে।

পরিবহন ও শিক্ষা কার্যক্রমেও এর বড় প্রভাব পড়েছে। সিসিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার সকাল থেকেই গুয়াংডংয়ে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং রোববার প্রদেশটির সব ধরনের ট্রেন পরিষেবা স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন চাওঝৌ শহরের স্কুলগুলোর যাবতীয় শিক্ষা ও অন্যান্য কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি মাসেই চরম আবহাওয়ার কারণে চীনের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি গুয়াংশি অঞ্চলে টাইফুন ‘মায়সাক’-এর প্রভাবে সৃষ্ট বন্যায় ৩৯ জন এবং মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশে বজ্রঝড় ও প্রবল বাতাসে আরও ১১ জন নিহত হয়েছেন। ওই দুর্যোগে হুবেই প্রদেশে অন্তত ৩৩১ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারের ফলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আগের চেয়ে আরও ঘন ঘন ও তীব্র হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ডিএনসিসির ২৮ মামলায় জরিমানা আদায়

চীনে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন নউল, জরুরি সতর্কতা জারি

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০২:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

শক্তিশালী টাইফুন ‘নউল’ চীনের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকাগুলোর দিকে দ্রুত ধেয়ে আসছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দেশটির কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, হংকং থেকে গুয়াংডং প্রদেশ পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার সকালের মধ্যে টাইফুনটি আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করছে চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আবহাওয়া অফিস চার স্তরের সতর্কতা ব্যবস্থার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ‘কমলা সতর্কতা’ বহাল রেখেছে।

সতর্কতার অংশ হিসেবে গুয়াংডং ও পার্শ্ববর্তী ফুজিয়ান প্রদেশের কিছু এলাকায় প্রবল ঝোড়ো বাতাস ও ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার রাত পর্যন্ত গুয়াংডং প্রদেশে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাগরে থাকা মাছ ধরার সব নৌযানকে নিরাপদে বন্দরে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং সেগুলো ইতোমধ্যে বন্দরে ফিরে এসেছে।

পরিবহন ও শিক্ষা কার্যক্রমেও এর বড় প্রভাব পড়েছে। সিসিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার সকাল থেকেই গুয়াংডংয়ে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং রোববার প্রদেশটির সব ধরনের ট্রেন পরিষেবা স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন চাওঝৌ শহরের স্কুলগুলোর যাবতীয় শিক্ষা ও অন্যান্য কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি মাসেই চরম আবহাওয়ার কারণে চীনের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি গুয়াংশি অঞ্চলে টাইফুন ‘মায়সাক’-এর প্রভাবে সৃষ্ট বন্যায় ৩৯ জন এবং মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশে বজ্রঝড় ও প্রবল বাতাসে আরও ১১ জন নিহত হয়েছেন। ওই দুর্যোগে হুবেই প্রদেশে অন্তত ৩৩১ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারের ফলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আগের চেয়ে আরও ঘন ঘন ও তীব্র হচ্ছে।