লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ল হুথিরা

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইয়াহিয়া সারে জানান, ওই সামরিক ঘাঁটির অস্ত্রের গুদাম এবং কমান্ড সেন্টারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। এসব স্থাপনা থেকে তাদের দেশ ও জনগণের ওপর আগ্রাসন চালানো হচ্ছিল বলে দাবি করেন তিনি। তবে এই হামলাটি ঠিক কখন চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সময় উল্লেখ করেননি হুথি মুখপাত্র।

সম্প্রতি ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর নতুন করে লড়াই শুরু হয়েছে। এই লড়াইয়ে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সব ধরনের সামরিক ও কৌশলগত সহায়তা দিয়ে আসছে সৌদি আরব।

এদিকে, ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে অগ্রসরমান হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শনিবার আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে অবস্থানকালে হুথিদের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, হুথিরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো লড়াইয়ে জড়াতে চায় না এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য ওয়াশিংটনকে অনুরোধ জানিয়েছে।

হুথিদের এই সামরিক তৎপরতার মধ্যেই সৌদি আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার ফলে হরমুজ প্রণালীকে পাশ কাটিয়ে লোহিত সাগর দিয়ে তেল সরবরাহের একমাত্র পথটি আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে। সৌদির তেল পাইপলাইনে এই হামলার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, এর পেছনে ইরানের সরাসরি জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তাহসিফ সৌরিকে হত্যা করা হয়েছে, দাবি বাবার

সৌদি আরবের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ল হুথিরা

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩৪:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইয়াহিয়া সারে জানান, ওই সামরিক ঘাঁটির অস্ত্রের গুদাম এবং কমান্ড সেন্টারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। এসব স্থাপনা থেকে তাদের দেশ ও জনগণের ওপর আগ্রাসন চালানো হচ্ছিল বলে দাবি করেন তিনি। তবে এই হামলাটি ঠিক কখন চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সময় উল্লেখ করেননি হুথি মুখপাত্র।

সম্প্রতি ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর নতুন করে লড়াই শুরু হয়েছে। এই লড়াইয়ে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সব ধরনের সামরিক ও কৌশলগত সহায়তা দিয়ে আসছে সৌদি আরব।

এদিকে, ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে অগ্রসরমান হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শনিবার আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে অবস্থানকালে হুথিদের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, হুথিরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো লড়াইয়ে জড়াতে চায় না এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য ওয়াশিংটনকে অনুরোধ জানিয়েছে।

হুথিদের এই সামরিক তৎপরতার মধ্যেই সৌদি আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার ফলে হরমুজ প্রণালীকে পাশ কাটিয়ে লোহিত সাগর দিয়ে তেল সরবরাহের একমাত্র পথটি আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে। সৌদির তেল পাইপলাইনে এই হামলার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, এর পেছনে ইরানের সরাসরি জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।