লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশুখাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান: ফিড মিলগুলোকে দুই মাসের সময়সীমা বেঁধে দিল সরকার

মাছ, মুরগি ও হাঁসসহ বিভিন্ন প্রাণিসম্পদের ফিড উৎপাদনে সরকারি নির্দেশনার বাইরে গিয়ে ক্ষতিকর উপাদান এবং অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই মাস সময় বেঁধে দিয়েছে সরকার। এই সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি গাইডলাইন অনুযায়ী উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদনের পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী আরও জানান, মাঠ পর্যায়ে ফিড মিলগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এরই মধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখেছি যে কিছু প্রতিষ্ঠান সরকারি গাইডলাইন মানছে না। তাদের দুই মাসের সময় দেওয়া হয়েছে যেন তারা এ সময়ের মধ্যে উৎপাদন প্রক্রিয়া সংশোধন করে নেয়। দুই মাস পর থেকে সরকারি গাইডলাইনের বাইরে কোনোভাবেই ফিড উৎপাদন করা যাবে না।

সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, আমরা নিয়মিতভাবে এই মিলগুলো পরিদর্শন করব। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে থাকা পণ্য ও বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে গিয়েও নমুনা পরীক্ষা করা হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার যে কোনো ধরনের ছাড় দিতে নারাজ এবং এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সিরিয়াস বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অনেক ধরনের ক্ষতিকর উপাদান ও অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে ফিড উৎপাদনের অভিযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমাদের এবারের যে মৎস্য সপ্তাহ দিবস যেটা, এখানে আমরা বিভিন্ন সেক্টরের যারা-যারা সচেতন চাষিকে ১৪টি গোল্ড মেডেল দিচ্ছি এবং তারপরে আমাদের মূল প্রচারণা যেটা, যে মাছ উৎপাদনের শুধু নয়, সেফ ফিশ উৎপাদন করতে হবে।

তিনি বলেন, এখানে সরকারের একটা গাইডলাইন আছে। ওই গাইডলাইন অনুযায়ী তাদেরকে ফিড উৎপাদন করতে হবে। এ ব্যাপারে আমরা এরইমধ্যে তাদের সঙ্গে মিটিংও করেছি। আরও পড়ুনআরও পড়ুনগরিবের টেসলা বিদ্যুতের ডিমান্ড বাড়াচ্ছে, রাতেও চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট: জ্বালানিমন্ত্রী

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-সৌদি আরব সরাসরি ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ছে ৮৪টি

পশুখাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান: ফিড মিলগুলোকে দুই মাসের সময়সীমা বেঁধে দিল সরকার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

মাছ, মুরগি ও হাঁসসহ বিভিন্ন প্রাণিসম্পদের ফিড উৎপাদনে সরকারি নির্দেশনার বাইরে গিয়ে ক্ষতিকর উপাদান এবং অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই মাস সময় বেঁধে দিয়েছে সরকার। এই সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি গাইডলাইন অনুযায়ী উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদনের পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী আরও জানান, মাঠ পর্যায়ে ফিড মিলগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এরই মধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখেছি যে কিছু প্রতিষ্ঠান সরকারি গাইডলাইন মানছে না। তাদের দুই মাসের সময় দেওয়া হয়েছে যেন তারা এ সময়ের মধ্যে উৎপাদন প্রক্রিয়া সংশোধন করে নেয়। দুই মাস পর থেকে সরকারি গাইডলাইনের বাইরে কোনোভাবেই ফিড উৎপাদন করা যাবে না।

সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, আমরা নিয়মিতভাবে এই মিলগুলো পরিদর্শন করব। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে থাকা পণ্য ও বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে গিয়েও নমুনা পরীক্ষা করা হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার যে কোনো ধরনের ছাড় দিতে নারাজ এবং এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সিরিয়াস বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অনেক ধরনের ক্ষতিকর উপাদান ও অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে ফিড উৎপাদনের অভিযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমাদের এবারের যে মৎস্য সপ্তাহ দিবস যেটা, এখানে আমরা বিভিন্ন সেক্টরের যারা-যারা সচেতন চাষিকে ১৪টি গোল্ড মেডেল দিচ্ছি এবং তারপরে আমাদের মূল প্রচারণা যেটা, যে মাছ উৎপাদনের শুধু নয়, সেফ ফিশ উৎপাদন করতে হবে।

তিনি বলেন, এখানে সরকারের একটা গাইডলাইন আছে। ওই গাইডলাইন অনুযায়ী তাদেরকে ফিড উৎপাদন করতে হবে। এ ব্যাপারে আমরা এরইমধ্যে তাদের সঙ্গে মিটিংও করেছি। আরও পড়ুনআরও পড়ুনগরিবের টেসলা বিদ্যুতের ডিমান্ড বাড়াচ্ছে, রাতেও চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট: জ্বালানিমন্ত্রী