লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

টানা নয়দিনের প্রবল বর্ষণ, উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে তিনি সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখার পর চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের বুড়ির দোকান এলাকায় শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়কসহ সকল অবকাঠামো দ্রুত সংস্কার করা হবে। এছাড়া কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু এবং বসতবাড়ির ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে এবং তার ভিত্তিতেই পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

পাহাড় কাটার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, অতীতে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে, তবে বর্তমান সরকারের আমলে তা আর চলতে দেওয়া হবে না। পাহাড় খেকোরা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া কোথাও স্লুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

এই পরিদর্শনকালে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান, পুলিশ সুপার সাজিদুর রহমান, চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার, চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দিলীপ দে এবং উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর

বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:১৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

টানা নয়দিনের প্রবল বর্ষণ, উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে তিনি সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখার পর চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের বুড়ির দোকান এলাকায় শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়কসহ সকল অবকাঠামো দ্রুত সংস্কার করা হবে। এছাড়া কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু এবং বসতবাড়ির ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে এবং তার ভিত্তিতেই পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

পাহাড় কাটার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, অতীতে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে, তবে বর্তমান সরকারের আমলে তা আর চলতে দেওয়া হবে না। পাহাড় খেকোরা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া কোথাও স্লুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

এই পরিদর্শনকালে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান, পুলিশ সুপার সাজিদুর রহমান, চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার, চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দিলীপ দে এবং উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।