লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে সরকার বাধ্য হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার অনেকটা বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জ্বালানি তেলের দাম সর্বোচ্চ লিটার প্রতি ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট সংকট প্রতিদিন নতুন নতুন মাত্রা যুক্ত করছে, যার ফলে সরকারের সামনে দাম সমন্বয় করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ভর্তুকি দিয়ে ২২ হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসান গুনেছে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের দর অনুযায়ী ডিজেলের দাম পড়ে ২০৫ টাকা। এই দাম বাড়ানোর পরেও সরকারকে এখনো লিটার প্রতি ৭০ টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এই ভর্তুকি অব্যাহত থাকলে দেশের অন্যান্য চলমান সহায়তা ও ভাতা কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ত। এছাড়া, প্রতিবেশী দেশের তুলনায় জ্বালানি তেলের দাম কম থাকায় তেল পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার তেলের দাম বাড়ানোর অভিঘাত যত কম রাখা যায়, সেই চেষ্টা করবে। বাস ভাড়া যেন যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি পায়, সেজন্য মনিটরিং করার পাশাপাশি যোগাযোগ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে ভাড়া সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে পুনরায় দাম সমন্বয় করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিডিও ফাঁস থেকে স্ত্রীর মৃত্যু: এমপি গাজী নজরুলের নাটকীয় পতন

জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে সরকার বাধ্য হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৩:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার অনেকটা বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জ্বালানি তেলের দাম সর্বোচ্চ লিটার প্রতি ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট সংকট প্রতিদিন নতুন নতুন মাত্রা যুক্ত করছে, যার ফলে সরকারের সামনে দাম সমন্বয় করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ভর্তুকি দিয়ে ২২ হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসান গুনেছে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের দর অনুযায়ী ডিজেলের দাম পড়ে ২০৫ টাকা। এই দাম বাড়ানোর পরেও সরকারকে এখনো লিটার প্রতি ৭০ টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এই ভর্তুকি অব্যাহত থাকলে দেশের অন্যান্য চলমান সহায়তা ও ভাতা কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ত। এছাড়া, প্রতিবেশী দেশের তুলনায় জ্বালানি তেলের দাম কম থাকায় তেল পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার তেলের দাম বাড়ানোর অভিঘাত যত কম রাখা যায়, সেই চেষ্টা করবে। বাস ভাড়া যেন যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি পায়, সেজন্য মনিটরিং করার পাশাপাশি যোগাযোগ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে ভাড়া সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে পুনরায় দাম সমন্বয় করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।