লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস সংকটে স্থবির শিল্প ও জনজীবন, সরবরাহ স্বাভাবিক নিয়ে অনিশ্চয়তা

২১ জুলাই এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা চরম সংকটের মুখে পড়েছে। এই সংকট কেবল শিল্প উৎপাদনকেই তলানিতে ঠেকায়নি, বরং দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টার্মিনালটি কবে নাগাদ সচল হবে তা নিয়ে উদ্বেগ কাটতে না কাটতেই নতুন করে গ্যাস সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১০ থেকে ১৫ আগস্টের জন্য এলএনজিবাহী কার্গো সরবরাহে কোনো কোম্পানিই রাজি হয়নি, যার ফলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) এই সময়ের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করলেও কোনো কোম্পানি সাড়া দেয়নি। তবে ১৫-১৬ আগস্টের একটি কার্গোর জন্য সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া লিমিটেড সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে, যারা প্রতি ইউনিট এলএনজি ২২ দশমিক ৩৫ ডলারে সরবরাহ করবে। এই এক কার্গোর মূল্য প্রায় ৯৪৯ কোটি ৪৩ লাখ ১২ হাজার ১৮৪ টাকা।

বর্তমানে সামিটের টার্মিনাল দিয়ে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৫০ কোটি ৮০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। টার্মিনালটি বন্ধ হওয়ার পর এলএনজি আমদানির সূচিতে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে কাতার এনার্জি, আরামকো, ওমান গ্যাসসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানি সরবরাহ স্থগিত করেছে। এদিকে, বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে টোটাল কোম্পানির একটি এলএনজিবাহী জাহাজ প্রায় ছয় দিন ধরে অপেক্ষা করছে, যা এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের জন্য আনা হয়েছিল। এছাড়া গানবোর এশিয়ার একটি কার্গো ৯ থেকে ১০ আগস্টের মধ্যে আসার কথা থাকলেও টার্মিনাল চালুর নিশ্চয়তা না থাকায় খালাস নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।

রাজধানী ঢাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে রোববার রাত ১২টার পর থেকে দৈনিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। তবে এর ফলে বাখরাবাদ, কর্ণফুলী ও জালালাবাদ গ্যাস বিতরণ কোম্পানির গ্রাহকরা তুলনামূলক কম গ্যাস পাচ্ছেন। জানা যায়, রোববার সারা দেশে মোট ২১৪ কোটি ২০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে, যার মধ্যে তিতাস গ্যাস সিস্টেম কোম্পানি পেয়েছে ১২১ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট।

গ্যাস সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ খাতে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানিয়েছে, বিদ্যুতের জন্য গ্যাসের ন্যূনতম চাহিদা ১০০ কোটি ঘনফুট হলেও সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৬৮ কোটি ঘনফুট। ফলে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে মাত্র ৩ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, রোববার বিকাল ৩টায় সারা দেশে ২ হাজার ৬৩৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। ঢাকার বাইরে অনেক এলাকায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা, এমনকি কোথাও কোথাও ১২ ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। এছাড়া পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬০০ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় উৎপাদন পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়েছে।

সারা দেশে গ্যাসের সংকটে দিশেহারা মানুষ। ২১ জুলাই এলএনজি টার্মিনাল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গ্যাস সরবরাহে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। এতে শিল্পে উৎপাদন তলানিতে গিয়ে ঠেকা ছাড়াও সারা দেশে ভয়াবহ লোডশেডিংসহ অর্থনীতিতে নানামুখী বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কবে টার্মিনালটি সচল হবে, তা নিয়ে যখন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, তখনই গ্যাস সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারণ, ১০-১৫ আগস্ট দুটি এলএনজিবাহী কার্গো সরবরাহে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি রাজি না হওয়ায় এ সংকট সামনে এসেছে। ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে টেন্ডারও আহ্বান করা হয়েছিল। টেন্ডারে কোনো কোম্পানি এলএনজিবাহী কার্গো সরবরাহে রাজি হয়নি। ফলে গ্যাস নিয়ে চলমান সংকট আরও তীব্র হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনালটি আংশিক চালু করা সম্ভব হলেও এলএনজিবাহী কার্গোর অভাবে গ্যাস সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হবে মারাত্মকভাবে। সূত্র বলছে, টার্মিনালটি বন্ধ হওয়ার পর এলএনজি আমদানি সূচিতে বিপর্যয় ঘটে। যার কারণে বন্ধ টার্মিনাল চালু না হওয়া পর্যন্ত কোনো সরবরাহকারী এলএনজি দিতে চাচ্ছে না।

বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকলেও এক্সিলারেট, কাতার এনার্জি, আরামকো, ওমান গ্যাসসহ কয়েকটি কোম্পানি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। তাদের বক্তব্য-যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক প্রসেসিং প্ল্যান্ট এবং ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই গ্যাস সরবরাহ তারা স্থগিত করেছে। জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এখন এই কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের বিপদে ১০ থেকে ১৫ আগস্টের জন্য ২-৩টি কার্গো বিশেষ ব্যবস্থাপনায় দিতে অনুরোধ করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে কেউ সাড়া দিয়েছে কি না, তা জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে টোটাল কোম্পানির একটি এলএনজিবাহী জাহাজ প্রায় ৬ দিন অপেক্ষা করছে। এটি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের জন্য আনা হয়েছিল। যে কোনো মুহূর্তে ওই টার্মিনাল চালু হলে ওই কার্গো থেকে এলএনজি খালাস করা হবে। এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের জন্য গানবোর এশিয়ার একটি কার্গো রেডি রাখা হয়েছে। সেটি ৯ থেকে ১০ আগস্টের মধ্যে দেশে আসার কথা। কিন্তু টার্মিনালটি কবে চালু হবে এবং ওই এলএনজি কবে খালাস করা হবে, এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ, এক্সিলারেট এখনো সুনিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার নতুন প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

গ্যাস সংকটে স্থবির শিল্প ও জনজীবন, সরবরাহ স্বাভাবিক নিয়ে অনিশ্চয়তা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

২১ জুলাই এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা চরম সংকটের মুখে পড়েছে। এই সংকট কেবল শিল্প উৎপাদনকেই তলানিতে ঠেকায়নি, বরং দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টার্মিনালটি কবে নাগাদ সচল হবে তা নিয়ে উদ্বেগ কাটতে না কাটতেই নতুন করে গ্যাস সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১০ থেকে ১৫ আগস্টের জন্য এলএনজিবাহী কার্গো সরবরাহে কোনো কোম্পানিই রাজি হয়নি, যার ফলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) এই সময়ের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করলেও কোনো কোম্পানি সাড়া দেয়নি। তবে ১৫-১৬ আগস্টের একটি কার্গোর জন্য সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া লিমিটেড সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে, যারা প্রতি ইউনিট এলএনজি ২২ দশমিক ৩৫ ডলারে সরবরাহ করবে। এই এক কার্গোর মূল্য প্রায় ৯৪৯ কোটি ৪৩ লাখ ১২ হাজার ১৮৪ টাকা।

বর্তমানে সামিটের টার্মিনাল দিয়ে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৫০ কোটি ৮০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। টার্মিনালটি বন্ধ হওয়ার পর এলএনজি আমদানির সূচিতে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে কাতার এনার্জি, আরামকো, ওমান গ্যাসসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানি সরবরাহ স্থগিত করেছে। এদিকে, বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে টোটাল কোম্পানির একটি এলএনজিবাহী জাহাজ প্রায় ছয় দিন ধরে অপেক্ষা করছে, যা এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের জন্য আনা হয়েছিল। এছাড়া গানবোর এশিয়ার একটি কার্গো ৯ থেকে ১০ আগস্টের মধ্যে আসার কথা থাকলেও টার্মিনাল চালুর নিশ্চয়তা না থাকায় খালাস নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।

রাজধানী ঢাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে রোববার রাত ১২টার পর থেকে দৈনিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। তবে এর ফলে বাখরাবাদ, কর্ণফুলী ও জালালাবাদ গ্যাস বিতরণ কোম্পানির গ্রাহকরা তুলনামূলক কম গ্যাস পাচ্ছেন। জানা যায়, রোববার সারা দেশে মোট ২১৪ কোটি ২০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে, যার মধ্যে তিতাস গ্যাস সিস্টেম কোম্পানি পেয়েছে ১২১ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট।

গ্যাস সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ খাতে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানিয়েছে, বিদ্যুতের জন্য গ্যাসের ন্যূনতম চাহিদা ১০০ কোটি ঘনফুট হলেও সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৬৮ কোটি ঘনফুট। ফলে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে মাত্র ৩ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, রোববার বিকাল ৩টায় সারা দেশে ২ হাজার ৬৩৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। ঢাকার বাইরে অনেক এলাকায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা, এমনকি কোথাও কোথাও ১২ ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। এছাড়া পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬০০ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় উৎপাদন পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়েছে।

সারা দেশে গ্যাসের সংকটে দিশেহারা মানুষ। ২১ জুলাই এলএনজি টার্মিনাল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গ্যাস সরবরাহে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। এতে শিল্পে উৎপাদন তলানিতে গিয়ে ঠেকা ছাড়াও সারা দেশে ভয়াবহ লোডশেডিংসহ অর্থনীতিতে নানামুখী বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কবে টার্মিনালটি সচল হবে, তা নিয়ে যখন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, তখনই গ্যাস সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারণ, ১০-১৫ আগস্ট দুটি এলএনজিবাহী কার্গো সরবরাহে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি রাজি না হওয়ায় এ সংকট সামনে এসেছে। ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে টেন্ডারও আহ্বান করা হয়েছিল। টেন্ডারে কোনো কোম্পানি এলএনজিবাহী কার্গো সরবরাহে রাজি হয়নি। ফলে গ্যাস নিয়ে চলমান সংকট আরও তীব্র হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনালটি আংশিক চালু করা সম্ভব হলেও এলএনজিবাহী কার্গোর অভাবে গ্যাস সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হবে মারাত্মকভাবে। সূত্র বলছে, টার্মিনালটি বন্ধ হওয়ার পর এলএনজি আমদানি সূচিতে বিপর্যয় ঘটে। যার কারণে বন্ধ টার্মিনাল চালু না হওয়া পর্যন্ত কোনো সরবরাহকারী এলএনজি দিতে চাচ্ছে না।

বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকলেও এক্সিলারেট, কাতার এনার্জি, আরামকো, ওমান গ্যাসসহ কয়েকটি কোম্পানি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। তাদের বক্তব্য-যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক প্রসেসিং প্ল্যান্ট এবং ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই গ্যাস সরবরাহ তারা স্থগিত করেছে। জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এখন এই কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের বিপদে ১০ থেকে ১৫ আগস্টের জন্য ২-৩টি কার্গো বিশেষ ব্যবস্থাপনায় দিতে অনুরোধ করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে কেউ সাড়া দিয়েছে কি না, তা জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে টোটাল কোম্পানির একটি এলএনজিবাহী জাহাজ প্রায় ৬ দিন অপেক্ষা করছে। এটি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের জন্য আনা হয়েছিল। যে কোনো মুহূর্তে ওই টার্মিনাল চালু হলে ওই কার্গো থেকে এলএনজি খালাস করা হবে। এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের জন্য গানবোর এশিয়ার একটি কার্গো রেডি রাখা হয়েছে। সেটি ৯ থেকে ১০ আগস্টের মধ্যে দেশে আসার কথা। কিন্তু টার্মিনালটি কবে চালু হবে এবং ওই এলএনজি কবে খালাস করা হবে, এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ, এক্সিলারেট এখনো সুনিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি।