লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে বড় ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। আগামী ১২ ও ১৩ই সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সম্মেলনের ‘আউটরিচ’ পর্বে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই দাওয়াতপত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছায়। তবে দাওয়াতপত্রের ভাষা নিয়ে সরকারের উচ্চমহলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, যা সফরের সম্ভাবনাকে কমিয়ে দিচ্ছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে।

সফরের অনিশ্চয়তার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে দাওয়াতপত্রে তারেক রহমানকে সম্বোধন করার পদ্ধতি। সেখানে তাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং ‘বিমসটেকের চেয়ার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছিলেন, কেন প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় পদবি ব্যবহার না করে বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে সম্বোধন করা হলো। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই প্রশ্নের সরাসরি কোনো ব্যাখ্যা দেননি। তিনি জানান, ব্রিকস সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে এবং আমন্ত্রণ ও কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। দায়িত্বশীল সূত্র অনুযায়ী, আগামী ২১শে সেপ্টেম্বর তিনি নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন। সেখানে ২৪শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং ভাষণ দেবেন। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রায় ৩০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল থাকবে। এবারের অধিবেশনটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এর আগে ১৯৮৬ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন। প্রায় চার দশক পর বাংলাদেশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই আন্দোলনে জড়িত ৩৫ শতাংশ পুলিশ কর্মকর্তা এখনো স্বপদে বহাল

ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে বড় ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। আগামী ১২ ও ১৩ই সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সম্মেলনের ‘আউটরিচ’ পর্বে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই দাওয়াতপত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছায়। তবে দাওয়াতপত্রের ভাষা নিয়ে সরকারের উচ্চমহলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, যা সফরের সম্ভাবনাকে কমিয়ে দিচ্ছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে।

সফরের অনিশ্চয়তার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে দাওয়াতপত্রে তারেক রহমানকে সম্বোধন করার পদ্ধতি। সেখানে তাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং ‘বিমসটেকের চেয়ার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছিলেন, কেন প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় পদবি ব্যবহার না করে বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে সম্বোধন করা হলো। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই প্রশ্নের সরাসরি কোনো ব্যাখ্যা দেননি। তিনি জানান, ব্রিকস সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে এবং আমন্ত্রণ ও কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। দায়িত্বশীল সূত্র অনুযায়ী, আগামী ২১শে সেপ্টেম্বর তিনি নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন। সেখানে ২৪শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং ভাষণ দেবেন। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রায় ৩০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল থাকবে। এবারের অধিবেশনটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এর আগে ১৯৮৬ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন। প্রায় চার দশক পর বাংলাদেশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।