লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাহবুব-উল আলম হানিফসহ ৪ আ.লীগ নেতার মামলার রায় যেকোনো দিন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন। যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

মামলার অন্য তিন আসামি হলেন- কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চারজন আসামিই বর্তমানে পলাতক। তাদের পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী আমির হোসেন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। এর আগে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম জানান, হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি আগে শেষ হলেও রাষ্ট্রপক্ষ নতুন করে কিছু অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিল করায় পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি, মাহবুব-উল আলম হানিফ একজন বেসামরিক নেতা হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন এবং অধীনস্তদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন। ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া টেলিফোনের কথোপকথন থেকে জানা যায়, তিনি কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি), জেলা ও উপজেলা চেয়ারম্যান এবং দলীয় নেতাকর্মীদের হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

প্রসিকিউশন আরও জানায়, ওবায়দুল কাদেরসহ দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের ট্রাইব্যুনাল যে সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন, একই অবস্থানে থাকা হানিফকেও একই শাস্তি দেওয়া হবে বলে তারা আশা করছেন। গত বছরের ২ নভেম্বর এই চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। এরপর ২৩ এপ্রিল ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় এবং ১০ জুন যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত প্রমাণ দাখিলের প্রেক্ষিতে পুনরায় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

চার বছরে বাংলাদেশকে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্য সরকারের

মাহবুব-উল আলম হানিফসহ ৪ আ.লীগ নেতার মামলার রায় যেকোনো দিন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৩৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন। যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

মামলার অন্য তিন আসামি হলেন- কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চারজন আসামিই বর্তমানে পলাতক। তাদের পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী আমির হোসেন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। এর আগে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম জানান, হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি আগে শেষ হলেও রাষ্ট্রপক্ষ নতুন করে কিছু অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিল করায় পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি, মাহবুব-উল আলম হানিফ একজন বেসামরিক নেতা হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন এবং অধীনস্তদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন। ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া টেলিফোনের কথোপকথন থেকে জানা যায়, তিনি কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি), জেলা ও উপজেলা চেয়ারম্যান এবং দলীয় নেতাকর্মীদের হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

প্রসিকিউশন আরও জানায়, ওবায়দুল কাদেরসহ দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের ট্রাইব্যুনাল যে সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন, একই অবস্থানে থাকা হানিফকেও একই শাস্তি দেওয়া হবে বলে তারা আশা করছেন। গত বছরের ২ নভেম্বর এই চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। এরপর ২৩ এপ্রিল ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় এবং ১০ জুন যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত প্রমাণ দাখিলের প্রেক্ষিতে পুনরায় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।