লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলা কচুয়ায় এইচএসসি ফলে বড় বিপর্যয়

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হকের নিজ উপজেলা কচুয়ায় এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাঙ্ক্ষিত পাসের হার না থাকায় সামগ্রিক ফলাফলে বড় ধরনের ধস নেমেছে। উপজেলার ৯টি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ হাজার ৫৭৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৬২৯ জন পাস করেছেন। এতে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৯.৯৬ শতাংশে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৩ জন শিক্ষার্থী।

অন্যদিকে, আলিম পরীক্ষার ফলাফলের চিত্রও খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। উপজেলার ১৪টি মাদ্রাসা থেকে মোট ৪৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, যাদের মধ্যে ২৯৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে পাসের হার ৬৪.১৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭ জন শিক্ষার্থী।

সার্বিক ফল বিপর্যয়ের এই পরিস্থিতির মধ্যেও ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। কলেজটির ১৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৬ জন পাস করেছেন এবং ১ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন, যা উপজেলার মধ্যে ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষ স্থান নিশ্চিত করেছে। এছাড়া আলিম পরীক্ষায় উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে নিশ্চিন্তপুর ডি এস ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠানটির ৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৭ জন পাস করেছেন এবং ২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

ইত্তিহাদে ম্যান সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়লো ব্রাইটন

শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলা কচুয়ায় এইচএসসি ফলে বড় বিপর্যয়

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হকের নিজ উপজেলা কচুয়ায় এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাঙ্ক্ষিত পাসের হার না থাকায় সামগ্রিক ফলাফলে বড় ধরনের ধস নেমেছে। উপজেলার ৯টি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ হাজার ৫৭৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৬২৯ জন পাস করেছেন। এতে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৯.৯৬ শতাংশে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৩ জন শিক্ষার্থী।

অন্যদিকে, আলিম পরীক্ষার ফলাফলের চিত্রও খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। উপজেলার ১৪টি মাদ্রাসা থেকে মোট ৪৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, যাদের মধ্যে ২৯৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে পাসের হার ৬৪.১৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭ জন শিক্ষার্থী।

সার্বিক ফল বিপর্যয়ের এই পরিস্থিতির মধ্যেও ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। কলেজটির ১৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৬ জন পাস করেছেন এবং ১ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন, যা উপজেলার মধ্যে ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষ স্থান নিশ্চিত করেছে। এছাড়া আলিম পরীক্ষায় উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে নিশ্চিন্তপুর ডি এস ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠানটির ৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৭ জন পাস করেছেন এবং ২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।