লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইবাস++ এ যেভাবে করবেন নতুন পে স্কেলের ‘পে ফিক্সেশন’

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ বা ‘পে ফিক্সেশন’-এর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নিয়ে আসা হচ্ছে। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সকাল ১১:০৬ এএম-এ প্রকাশিত অর্থ বিভাগের জরুরি নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীরা শিগগিরই আইবাস প্লাস প্লাস (iBAS++) সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজেদের নতুন বেতন নির্ধারণ করতে পারবেন।

আইবাস প্লাস প্লাস সিস্টেমে নির্ধারিত অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে। তথ্য চূড়ান্তভাবে সাবমিট করার আগেই সিস্টেমে নির্ধারণযোগ্য নতুন মূল বেতনের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখতে পাবেন ব্যবহারকারীরা। গেজেটেড কর্মকর্তারা তাদের নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সিস্টেমে প্রবেশ করবেন। অন্যদিকে, নন-গেজেটেড কর্মচারীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে সিস্টেমে প্রবেশ করতে হবে। এরপর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপির (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) মাধ্যমে লগইন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

যেসব সরকারি কর্মচারী বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন, তাদের সুবিধার্থে আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত ই-মেইলে ওটিপি পাঠানোর ব্যবস্থা থাকবে। তবে কোনো কর্মচারীর যদি এনআইডি না থাকে, তবে তাকে আগে জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

পে ফিক্সেশনের তথ্য সাবমিট করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি নিশ্চিতকরণ এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর এই তথ্য যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট ড্রইং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারের (ডিডিও) কাছে চলে যাবে। নন-গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সার্ভিস বহি অনুযায়ী আগের চাকরি ও বেতনের তথ্য সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করবেন ডিডিও। আর গেজেটেড কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ডিডিও বেতন নির্ধারণী বিবরণীটি সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠাবেন।

পরবর্তী ধাপে হিসাবরক্ষণ অফিস অনলাইনে এসব তথ্য যাচাই করে অনুমোদন দেবে। অনুমোদন সম্পন্ন হলে সিস্টেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ভেরিফিকেশন নম্বর তৈরি হবে। এই প্রক্রিয়ায় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কোনো ম্যানুয়াল স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে না। তবে কর্মচারীর শারীরিক সার্ভিস বহিতে এই ভেরিফিকেশন নম্বর ও নির্ধারিত বেতন লিপিবদ্ধ করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে স্বাক্ষর করতে হবে।

এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এর ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে অনলাইনে বেতন নির্ধারণের এই বিধান রাখা হয়েছিল। অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ে বেতন নির্ধারণ এবং তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে অনলাইনে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে; কারণ কোনো ভুল তথ্য দেওয়া হলে পরবর্তী যাচাইয়ের সময় তা সংশোধনের জটিলতায় পড়তে হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লগডাউন পতিবাদে ছাত্র দলের কঠোর হুশিয়ারি

আইবাস++ এ যেভাবে করবেন নতুন পে স্কেলের ‘পে ফিক্সেশন’

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪৭:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ বা ‘পে ফিক্সেশন’-এর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নিয়ে আসা হচ্ছে। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সকাল ১১:০৬ এএম-এ প্রকাশিত অর্থ বিভাগের জরুরি নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীরা শিগগিরই আইবাস প্লাস প্লাস (iBAS++) সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজেদের নতুন বেতন নির্ধারণ করতে পারবেন।

আইবাস প্লাস প্লাস সিস্টেমে নির্ধারিত অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে। তথ্য চূড়ান্তভাবে সাবমিট করার আগেই সিস্টেমে নির্ধারণযোগ্য নতুন মূল বেতনের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখতে পাবেন ব্যবহারকারীরা। গেজেটেড কর্মকর্তারা তাদের নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সিস্টেমে প্রবেশ করবেন। অন্যদিকে, নন-গেজেটেড কর্মচারীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে সিস্টেমে প্রবেশ করতে হবে। এরপর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপির (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) মাধ্যমে লগইন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

যেসব সরকারি কর্মচারী বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন, তাদের সুবিধার্থে আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত ই-মেইলে ওটিপি পাঠানোর ব্যবস্থা থাকবে। তবে কোনো কর্মচারীর যদি এনআইডি না থাকে, তবে তাকে আগে জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

পে ফিক্সেশনের তথ্য সাবমিট করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি নিশ্চিতকরণ এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর এই তথ্য যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট ড্রইং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারের (ডিডিও) কাছে চলে যাবে। নন-গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সার্ভিস বহি অনুযায়ী আগের চাকরি ও বেতনের তথ্য সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করবেন ডিডিও। আর গেজেটেড কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ডিডিও বেতন নির্ধারণী বিবরণীটি সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠাবেন।

পরবর্তী ধাপে হিসাবরক্ষণ অফিস অনলাইনে এসব তথ্য যাচাই করে অনুমোদন দেবে। অনুমোদন সম্পন্ন হলে সিস্টেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ভেরিফিকেশন নম্বর তৈরি হবে। এই প্রক্রিয়ায় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কোনো ম্যানুয়াল স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে না। তবে কর্মচারীর শারীরিক সার্ভিস বহিতে এই ভেরিফিকেশন নম্বর ও নির্ধারিত বেতন লিপিবদ্ধ করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে স্বাক্ষর করতে হবে।

এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এর ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে অনলাইনে বেতন নির্ধারণের এই বিধান রাখা হয়েছিল। অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ে বেতন নির্ধারণ এবং তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে অনলাইনে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে; কারণ কোনো ভুল তথ্য দেওয়া হলে পরবর্তী যাচাইয়ের সময় তা সংশোধনের জটিলতায় পড়তে হতে পারে।