লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর জন্য আলাদা অধিদপ্তর হচ্ছে

বিগত ১৭ বছরে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে একটি নতুন অধিদপ্তর গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। এই পরিবারগুলোকে গেজেটভুক্ত করার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন। বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, নির্যাতিত পরিবারগুলোর কল্যাণে বর্তমান সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে নতুন একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করে ভুক্তভোগীদের গেজেটভুক্ত করা হবে। এছাড়া, জুলাই অভ্যুত্থানে যাদের গেজেটভুক্ত করার কথা ছিল, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তা তড়িঘড়ি করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে বঞ্চিতদের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে এই প্রক্রিয়াটি আবারও উন্মুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আহমেদ আজম খান অভিযোগ করেন, বিগত সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী শক্তির কারণে যারা বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের সবাইকে নতুন করে মূল্যায়ন করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, তিনি জীবিতাবস্থায় যেমন ইতিহাস গড়েছেন, মৃত্যুর পরও ইতিহাস হয়ে থাকবেন। তাঁর জানাজায় দেড় কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন এবং টেলিভিশনে প্রায় ১০ কোটি মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেছেন। এছাড়া দেশের প্রায় ১৫ কোটি মানুষ তাঁর জন্য দোয়া করেছেন। নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রতিবারই জনগণের বিপুল ভালোবাসায় তিনি বিজয়ী হয়েছেন উল্লেখ করে আহমেদ আজম খান একে বিশ্ব ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘৯৮ শতাংশ গ্যাসের নিয়ন্ত্রণ বিশেষ দেশের হাতে তুলে দিয়েছিল বিগত সরকার’

গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর জন্য আলাদা অধিদপ্তর হচ্ছে

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:১৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

বিগত ১৭ বছরে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে একটি নতুন অধিদপ্তর গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। এই পরিবারগুলোকে গেজেটভুক্ত করার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন। বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, নির্যাতিত পরিবারগুলোর কল্যাণে বর্তমান সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে নতুন একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করে ভুক্তভোগীদের গেজেটভুক্ত করা হবে। এছাড়া, জুলাই অভ্যুত্থানে যাদের গেজেটভুক্ত করার কথা ছিল, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তা তড়িঘড়ি করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে বঞ্চিতদের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে এই প্রক্রিয়াটি আবারও উন্মুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আহমেদ আজম খান অভিযোগ করেন, বিগত সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী শক্তির কারণে যারা বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের সবাইকে নতুন করে মূল্যায়ন করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, তিনি জীবিতাবস্থায় যেমন ইতিহাস গড়েছেন, মৃত্যুর পরও ইতিহাস হয়ে থাকবেন। তাঁর জানাজায় দেড় কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন এবং টেলিভিশনে প্রায় ১০ কোটি মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেছেন। এছাড়া দেশের প্রায় ১৫ কোটি মানুষ তাঁর জন্য দোয়া করেছেন। নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রতিবারই জনগণের বিপুল ভালোবাসায় তিনি বিজয়ী হয়েছেন উল্লেখ করে আহমেদ আজম খান একে বিশ্ব ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন।