লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: ইরান

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন, তবে তিনি চুক্তির বিস্তারিত কোনো বিবরণ প্রকাশ করেননি।

বাকেই জানিয়েছেন, ওমানের সঙ্গে প্রণালিটির ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে, ওমানের সঙ্গে চুক্তি হলেও প্রণালিটি দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচলের শতভাগ নিশ্চয়তা পাওয়া কঠিন। কারণ, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনো বিঘ্নিত হচ্ছে। ইরানের স্বার্থের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ এবং অন্যান্য আগ্রাসী পদক্ষেপ এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী জানিয়েছেন, নতুন এই পথটি কেবল দুই থেকে চার মাসের জন্য অস্থায়ীভাবে খোলা রাখা হতে পারে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর পণ্যমূল্যের ওপর ৫ থেকে ৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের দাবি করছে, যেখানে ওমান ৩ শতাংশ শুল্কের পক্ষে আলোচনা করছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন কোনো ধরনের শুল্ক আরোপের বিরোধী।

উল্লেখ্য যে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে তেহরান হরমুজ প্রণালি প্রায় পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যার ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সতর্ক করেছেন যে, প্রণালিটি দ্রুত খুলে দেওয়া না হলে ইরান ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হবে। যদিও ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে যে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা করছে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ায় মিরাজের সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে ফিরল বাংলাদেশ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: ইরান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন, তবে তিনি চুক্তির বিস্তারিত কোনো বিবরণ প্রকাশ করেননি।

বাকেই জানিয়েছেন, ওমানের সঙ্গে প্রণালিটির ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে, ওমানের সঙ্গে চুক্তি হলেও প্রণালিটি দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচলের শতভাগ নিশ্চয়তা পাওয়া কঠিন। কারণ, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনো বিঘ্নিত হচ্ছে। ইরানের স্বার্থের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ এবং অন্যান্য আগ্রাসী পদক্ষেপ এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী জানিয়েছেন, নতুন এই পথটি কেবল দুই থেকে চার মাসের জন্য অস্থায়ীভাবে খোলা রাখা হতে পারে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর পণ্যমূল্যের ওপর ৫ থেকে ৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের দাবি করছে, যেখানে ওমান ৩ শতাংশ শুল্কের পক্ষে আলোচনা করছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন কোনো ধরনের শুল্ক আরোপের বিরোধী।

উল্লেখ্য যে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে তেহরান হরমুজ প্রণালি প্রায় পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যার ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সতর্ক করেছেন যে, প্রণালিটি দ্রুত খুলে দেওয়া না হলে ইরান ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হবে। যদিও ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে যে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা করছে না।