লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন করে হামলা হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও এআই স্থাপনায় আঘাতের হুমকি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি নতুন করে কোনো সামরিক হামলা চালায়, তবে উপসাগরীয় দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই জানিয়েছেন, ডনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যদি আবারও হামলা করেন, তবে তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো ‘রেড লাইন’ বা সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না। এই হুমকির লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনা, আন্ডারসি ক্যাবল, ডেটাসেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কেন্দ্রগুলো।

বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ৩রা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে ইরানকে লক্ষ্য করে যৌথ হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এই সামরিক পরিকল্পনার কৌশল ও সময় নিয়ে আলোচনার জন্য মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরাইলে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এরই মধ্যে বুধবার হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার দাবি করেছে। এই উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩.৪ ডলারে (প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ টাকা) দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন নভেম্বরের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বড় আকারে বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

ইরানি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হতে পারে এবং বিশ্ব অর্থনীতি গভীর মন্দার কবলে পড়তে পারে। তবে তেহরান একাধারে এই হুমকি দিলেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিরসন এবং পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার প্রস্তাবও দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গর্তে আট মাস লুকিয়ে থাকার পর ড্রোনে উদ্ধার দুই পা হারানো ইউক্রেনীয় সেনা

নতুন করে হামলা হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও এআই স্থাপনায় আঘাতের হুমকি ইরানের

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৩৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি নতুন করে কোনো সামরিক হামলা চালায়, তবে উপসাগরীয় দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই জানিয়েছেন, ডনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যদি আবারও হামলা করেন, তবে তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো ‘রেড লাইন’ বা সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না। এই হুমকির লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনা, আন্ডারসি ক্যাবল, ডেটাসেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কেন্দ্রগুলো।

বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ৩রা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে ইরানকে লক্ষ্য করে যৌথ হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এই সামরিক পরিকল্পনার কৌশল ও সময় নিয়ে আলোচনার জন্য মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরাইলে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এরই মধ্যে বুধবার হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার দাবি করেছে। এই উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩.৪ ডলারে (প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ টাকা) দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন নভেম্বরের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বড় আকারে বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

ইরানি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হতে পারে এবং বিশ্ব অর্থনীতি গভীর মন্দার কবলে পড়তে পারে। তবে তেহরান একাধারে এই হুমকি দিলেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিরসন এবং পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার প্রস্তাবও দিয়েছে।