লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন যুদ্ধবিমান মাটিতেই ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ধারাবাহিক হামলার মাধ্যমে মার্কিন বাহিনীর বেশ কিছু যুদ্ধবিমান মাটিতে থাকা অবস্থাতেই ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি)। রোববার ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসির এক মুখপাত্র এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।

আইআরজিসির মুখপাত্রের ভাষ্যমতে, ইরানের এসব হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি জানান, তাদের হামলায় ১৭টি নজরদারি ও অপারেশনাল ড্রোন, হ্যাঙ্গারের ভেতরে থাকা একটি এফ-১৫ ফাইটার জেট, একটি পি-৮ বিমান, একটি সি-১৭ পরিবহন বিমান এবং ৮টি জ্বালানি সরবরাহকারী বা রিফুয়েলিং বিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই আইআরজিসির পক্ষ থেকে এমন দাবি সামনে এল, যা অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। তবে ইরানের এই দাবির বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বা মার্কিন সামরিক বাহিনীর তরফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য বা সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের ৫ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি

মার্কিন যুদ্ধবিমান মাটিতেই ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪৯:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ধারাবাহিক হামলার মাধ্যমে মার্কিন বাহিনীর বেশ কিছু যুদ্ধবিমান মাটিতে থাকা অবস্থাতেই ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি)। রোববার ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসির এক মুখপাত্র এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।

আইআরজিসির মুখপাত্রের ভাষ্যমতে, ইরানের এসব হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি জানান, তাদের হামলায় ১৭টি নজরদারি ও অপারেশনাল ড্রোন, হ্যাঙ্গারের ভেতরে থাকা একটি এফ-১৫ ফাইটার জেট, একটি পি-৮ বিমান, একটি সি-১৭ পরিবহন বিমান এবং ৮টি জ্বালানি সরবরাহকারী বা রিফুয়েলিং বিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই আইআরজিসির পক্ষ থেকে এমন দাবি সামনে এল, যা অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। তবে ইরানের এই দাবির বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বা মার্কিন সামরিক বাহিনীর তরফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য বা সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।