লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এলপিএল ফাইনালের টিকিট কাটল জাফনা, হৃদয়ের ব্যাটে লড়াকু জয়

এলপিএল-এর প্রথম কোয়ালিফায়ারে গল গ্যালান্টসকে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিল জাফনা কিংস। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগ পর্ব শেষ করার পর কোয়ালিফায়ারেও নিজেদের দাপট বজায় রেখেছে দলটি। কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল গল গ্যালান্টস। তবে জাফনার ব্যাটারদের সামনে তা খুব একটা কার্যকর হয়নি।

জাফনার একাদশে ছিলেন তাওহীদ হৃদয় ও সাকিব আল হাসান। শুরুর দিকে কামিল মিশারা ও খাজা নাফে মিলে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। অভিষকা ফার্নান্দো ১৪ বলে ১৯ রান করে ফিরলেও, মিশারা ও নাফে মিলে ১৩৮ রানের বড় জুটি গড়েন। নাফে ৩২ বলে ৫৪ রান করে আউট হন, যেখানে তিনি চারটি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকান। এরপর ভানুকা রাজাপক্ষে ক্রিজে না নেমে তাওহীদ হৃদয়ের ওপর আস্থা রাখেন।

হৃদয় ক্রিজে নেমেই বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন। ইনিংসের ১৯তম ওভারে ঈশান মালিঙ্গার বলে টানা দুটি ছক্কা মারেন তিনি। শেষ ওভারে দাসুন শানাকাকে ছক্কা দিয়ে শুরু করে সেই ওভারে আরও একটি ছক্কা ও দুটি চার হাঁকান, যার মাধ্যমে এক ওভারেই ২২ রান যোগ হয়। মাত্র ২০ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করা হৃদয় ২১ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তার এই ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও পাঁচটি ছক্কা, যার স্ট্রাইক রেট ছিল ২৫৭.১৪। অন্যদিকে, কামিল মিশারা ৫৫ বলে ১০৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। জাফনা নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২৪২ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ দাঁড় করায়।

জবাব দিতে নেমে গল গ্যালান্টস শুরু থেকেই আগ্রাসী খেলার চেষ্টা করলেও জাফনার বিশাল রানের লক্ষ্য তাড়া করা তাদের জন্য সম্ভব হয়নি। বল হাতে সাকিব আল হাসান খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি, তবে শেষপর্যন্ত জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়ে জাফনা কিংস।

গল গ্যালান্টসকে ২৪৩ রানের অসম্ভব লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়ে জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন সাকিব-হৃদয়রা।

দলীয় ১৭৩ রানে নাফে বিদায় নিলে অধিনায়ক ভানুকা রাজাপক্ষে নিজে ক্রিজে না নেমে ভরসা করেন হৃদয়ের ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ায় মিরাজের সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে ফিরল বাংলাদেশ

এলপিএল ফাইনালের টিকিট কাটল জাফনা, হৃদয়ের ব্যাটে লড়াকু জয়

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

এলপিএল-এর প্রথম কোয়ালিফায়ারে গল গ্যালান্টসকে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিল জাফনা কিংস। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগ পর্ব শেষ করার পর কোয়ালিফায়ারেও নিজেদের দাপট বজায় রেখেছে দলটি। কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল গল গ্যালান্টস। তবে জাফনার ব্যাটারদের সামনে তা খুব একটা কার্যকর হয়নি।

জাফনার একাদশে ছিলেন তাওহীদ হৃদয় ও সাকিব আল হাসান। শুরুর দিকে কামিল মিশারা ও খাজা নাফে মিলে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। অভিষকা ফার্নান্দো ১৪ বলে ১৯ রান করে ফিরলেও, মিশারা ও নাফে মিলে ১৩৮ রানের বড় জুটি গড়েন। নাফে ৩২ বলে ৫৪ রান করে আউট হন, যেখানে তিনি চারটি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকান। এরপর ভানুকা রাজাপক্ষে ক্রিজে না নেমে তাওহীদ হৃদয়ের ওপর আস্থা রাখেন।

হৃদয় ক্রিজে নেমেই বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন। ইনিংসের ১৯তম ওভারে ঈশান মালিঙ্গার বলে টানা দুটি ছক্কা মারেন তিনি। শেষ ওভারে দাসুন শানাকাকে ছক্কা দিয়ে শুরু করে সেই ওভারে আরও একটি ছক্কা ও দুটি চার হাঁকান, যার মাধ্যমে এক ওভারেই ২২ রান যোগ হয়। মাত্র ২০ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করা হৃদয় ২১ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তার এই ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও পাঁচটি ছক্কা, যার স্ট্রাইক রেট ছিল ২৫৭.১৪। অন্যদিকে, কামিল মিশারা ৫৫ বলে ১০৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। জাফনা নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২৪২ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ দাঁড় করায়।

জবাব দিতে নেমে গল গ্যালান্টস শুরু থেকেই আগ্রাসী খেলার চেষ্টা করলেও জাফনার বিশাল রানের লক্ষ্য তাড়া করা তাদের জন্য সম্ভব হয়নি। বল হাতে সাকিব আল হাসান খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি, তবে শেষপর্যন্ত জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়ে জাফনা কিংস।

গল গ্যালান্টসকে ২৪৩ রানের অসম্ভব লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়ে জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন সাকিব-হৃদয়রা।

দলীয় ১৭৩ রানে নাফে বিদায় নিলে অধিনায়ক ভানুকা রাজাপক্ষে নিজে ক্রিজে না নেমে ভরসা করেন হৃদয়ের ওপর।