লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত আমিরের এক্স হ্যাকড: ডিবি চাইছে ডিভাইস, নিরাপত্তায় উদ্বেগ বাদীপক্ষের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ ওঠার পর আট মাসের বেশি সময় পার হলেও তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) ইউনিট ঘটনার তদন্তে জামায়াত আমিরের ব্যবহৃত মুঠোফোনসহ সংশ্লিষ্ট ডিভাইসগুলো চেয়েছে। ডিভাইস জব্দ ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে অন্তত তিনবার চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। তবে বাদীপক্ষ থেকে ডিভাইস না মেলায় তদন্তের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সুরাহা আটকে আছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হ্যাকিংয়ের মতো ঘটনায় মূল অ্যাকাউন্টে কখন, কোথা থেকে এবং কীভাবে প্রবেশ করা হয়েছিল—তা উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। এসব ডিভাইসে লগইন ও সেশন-সংক্রান্ত তথ্য ছাড়াও ম্যালওয়্যার বা ফিশিং লিঙ্কের মতো ডিজিটাল আলামত পাওয়ার সুযোগ থাকে। ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হাফিজুল ইসলাম জানান, আদালতের অনুমতি নিয়ে বাদীপক্ষের কাছে তিনবার চিঠি দেওয়া হলেও এখনো ফোন বা কোনো ডিভাইস পাওয়া যায়নি। তবে সর্বশেষ চিঠি কবে পাঠানো হয়েছে বা আদালত কবে অনুমতি দিয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করতে পারেননি। আদালত সূত্র জানিয়েছে, ডিবির আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৬ এপ্রিল আদালত ডিভাইস জব্দ ও ফরেনসিক পরীক্ষার মঞ্জুরি দেন। আগামী ৩ নভেম্বর আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন নির্ধারিত রয়েছে।

ডিভাইস না দেওয়া প্রসঙ্গে জামায়াত আমিরের পক্ষে মামলার বাদী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, তাঁরা তদন্তে অসহযোগিতা করছেন না। বরং ডিভাইসের তথ্য ও নিরাপত্তা সুরক্ষা নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ রয়েছে। এই বিষয়ে ডিবির কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁদের দুই দফা আলোচনা হয়েছে এবং নিজেদের উপস্থিতিতেই ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলা দায়েরের সময় জামায়াতের নিজস্ব গবেষণায় পাওয়া কিছু নথিপত্র ডিবিকে দেওয়া হয়েছিল, যেখানে ইঙ্গিত করা হয়েছিল যে সরকারের সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে যুক্ত কোনো উৎস থেকে এই হ্যাকিং হতে পারে। অন্যদিকে, ডিবি কর্তৃপক্ষ এক্স (টুইটার) কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত লগইন তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠালেও সেখান থেকেও এখনো কোনো জবাব মেলেনি।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ৩১ জানুয়ারি বিকেলে। সেদিন জামায়াত আমিরের এক্স হ্যান্ডল থেকে ইংরেজিতে একটি বিতর্কিত পোস্ট দেওয়া হয়, যেখানে বলা হয়েছিল: "আমরা বিশ্বাস করি, যখন নারীদের আধুনিকতার নামে ঘর থেকে বের করা হয়, তখন তাঁরা শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হন। এটি অন্য কিছু নয়; বরং পতিতাবৃত্তির অন্য একটি রূপ।" এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন রাস্তায় নেমে এর প্রতিবাদ জানায়। পরবর্তীতে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সরকারি ইমেইল ব্যবহার করে আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ওই মন্তব্য পোস্ট করা হয়েছিল। পরে প্রথমে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) এবং পরবর্তীতে একটি মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের (বঙ্গভবন) সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়।

মামলা হওয়ার পর গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ডিবি পুলিশ বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার ছরওয়ারে আলমকে আটক করে এবং তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোন, ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ ছাড়াও পরিবারের কিছু ডিভাইস জব্দ করে। পরদিন তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলেও সেদিনই তিনি জামিন পান। প্রায় এক মাস তল্লাশির পর তাঁর পরিবারের ডিভাইসগুলো ফেরত দেওয়া হলেও ছরওয়ারের নিজস্ব ডিভাইসের ফরেনসিক প্রতিবেদন এখনো ডিবি হাতে পায়নি। নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে ছরওয়ারে আলম বলেন, তিনি কোনোভাবেই এই হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত নন। বাদীপক্ষ ডিভাইস না দেওয়ায় তদন্ত থমকে আছে উল্লেখ করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় চাকরির মেয়াদ শেষ পর্যায়ে থাকায় পেনশন ও আর্থিক সুবিধা হারানোর আশঙ্কায় সুবিচারের তাগিদ দেন এই কর্মকর্তা।

চলমান এই তদন্ত স্থবিরতা সম্পর্কে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী জানান, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের স্বার্থে যেকোনো মামলার বাদী ও বিবাদী—উভয় পক্ষেরই তদন্ত কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করা আইনি দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়ায় বিলম্ব যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানির মুখে না ফেলে, সেদিকে নজর রাখা জরুরি।

মামলায় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমসহ অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ছরওয়ারকে আটক করে ডিবি।

ফলে অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ ঘটেছিল কি না, ঘটে থাকলে কীভাবে এবং এই ঘটনার সঙ্গে ছরওয়ারে আলমের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না—এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।.জামায়াত আমিরের নারীবিদ্বেষী পোস্টের ৯ ঘণ্টা পর আইডি হ্যাকের দাবি কতটা যৌক্তিক, প্রশ্ন বিএনপির

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে ১১৭ ডলার ছাড়াল

জামায়াত আমিরের এক্স হ্যাকড: ডিবি চাইছে ডিভাইস, নিরাপত্তায় উদ্বেগ বাদীপক্ষের

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ ওঠার পর আট মাসের বেশি সময় পার হলেও তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) ইউনিট ঘটনার তদন্তে জামায়াত আমিরের ব্যবহৃত মুঠোফোনসহ সংশ্লিষ্ট ডিভাইসগুলো চেয়েছে। ডিভাইস জব্দ ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে অন্তত তিনবার চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। তবে বাদীপক্ষ থেকে ডিভাইস না মেলায় তদন্তের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সুরাহা আটকে আছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হ্যাকিংয়ের মতো ঘটনায় মূল অ্যাকাউন্টে কখন, কোথা থেকে এবং কীভাবে প্রবেশ করা হয়েছিল—তা উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। এসব ডিভাইসে লগইন ও সেশন-সংক্রান্ত তথ্য ছাড়াও ম্যালওয়্যার বা ফিশিং লিঙ্কের মতো ডিজিটাল আলামত পাওয়ার সুযোগ থাকে। ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হাফিজুল ইসলাম জানান, আদালতের অনুমতি নিয়ে বাদীপক্ষের কাছে তিনবার চিঠি দেওয়া হলেও এখনো ফোন বা কোনো ডিভাইস পাওয়া যায়নি। তবে সর্বশেষ চিঠি কবে পাঠানো হয়েছে বা আদালত কবে অনুমতি দিয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করতে পারেননি। আদালত সূত্র জানিয়েছে, ডিবির আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৬ এপ্রিল আদালত ডিভাইস জব্দ ও ফরেনসিক পরীক্ষার মঞ্জুরি দেন। আগামী ৩ নভেম্বর আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন নির্ধারিত রয়েছে।

ডিভাইস না দেওয়া প্রসঙ্গে জামায়াত আমিরের পক্ষে মামলার বাদী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, তাঁরা তদন্তে অসহযোগিতা করছেন না। বরং ডিভাইসের তথ্য ও নিরাপত্তা সুরক্ষা নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ রয়েছে। এই বিষয়ে ডিবির কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁদের দুই দফা আলোচনা হয়েছে এবং নিজেদের উপস্থিতিতেই ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলা দায়েরের সময় জামায়াতের নিজস্ব গবেষণায় পাওয়া কিছু নথিপত্র ডিবিকে দেওয়া হয়েছিল, যেখানে ইঙ্গিত করা হয়েছিল যে সরকারের সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে যুক্ত কোনো উৎস থেকে এই হ্যাকিং হতে পারে। অন্যদিকে, ডিবি কর্তৃপক্ষ এক্স (টুইটার) কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত লগইন তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠালেও সেখান থেকেও এখনো কোনো জবাব মেলেনি।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ৩১ জানুয়ারি বিকেলে। সেদিন জামায়াত আমিরের এক্স হ্যান্ডল থেকে ইংরেজিতে একটি বিতর্কিত পোস্ট দেওয়া হয়, যেখানে বলা হয়েছিল: "আমরা বিশ্বাস করি, যখন নারীদের আধুনিকতার নামে ঘর থেকে বের করা হয়, তখন তাঁরা শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হন। এটি অন্য কিছু নয়; বরং পতিতাবৃত্তির অন্য একটি রূপ।" এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন রাস্তায় নেমে এর প্রতিবাদ জানায়। পরবর্তীতে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সরকারি ইমেইল ব্যবহার করে আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ওই মন্তব্য পোস্ট করা হয়েছিল। পরে প্রথমে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) এবং পরবর্তীতে একটি মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের (বঙ্গভবন) সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়।

মামলা হওয়ার পর গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ডিবি পুলিশ বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার ছরওয়ারে আলমকে আটক করে এবং তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোন, ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ ছাড়াও পরিবারের কিছু ডিভাইস জব্দ করে। পরদিন তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলেও সেদিনই তিনি জামিন পান। প্রায় এক মাস তল্লাশির পর তাঁর পরিবারের ডিভাইসগুলো ফেরত দেওয়া হলেও ছরওয়ারের নিজস্ব ডিভাইসের ফরেনসিক প্রতিবেদন এখনো ডিবি হাতে পায়নি। নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে ছরওয়ারে আলম বলেন, তিনি কোনোভাবেই এই হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত নন। বাদীপক্ষ ডিভাইস না দেওয়ায় তদন্ত থমকে আছে উল্লেখ করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় চাকরির মেয়াদ শেষ পর্যায়ে থাকায় পেনশন ও আর্থিক সুবিধা হারানোর আশঙ্কায় সুবিচারের তাগিদ দেন এই কর্মকর্তা।

চলমান এই তদন্ত স্থবিরতা সম্পর্কে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী জানান, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের স্বার্থে যেকোনো মামলার বাদী ও বিবাদী—উভয় পক্ষেরই তদন্ত কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করা আইনি দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়ায় বিলম্ব যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানির মুখে না ফেলে, সেদিকে নজর রাখা জরুরি।

মামলায় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমসহ অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ছরওয়ারকে আটক করে ডিবি।

ফলে অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ ঘটেছিল কি না, ঘটে থাকলে কীভাবে এবং এই ঘটনার সঙ্গে ছরওয়ারে আলমের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না—এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।.জামায়াত আমিরের নারীবিদ্বেষী পোস্টের ৯ ঘণ্টা পর আইডি হ্যাকের দাবি কতটা যৌক্তিক, প্রশ্ন বিএনপির