লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাগজপত্রহীন তিন বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করল শুল্ক গোয়েন্দা

কক্সবাজারের ওশান প্যারাডাইস হোটেলের পার্কিং থেকে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে এই অভিযান চালানো হয়। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত বৈধ আমদানি বা গাড়ি কেনার স্বপক্ষে কোনো কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আইন অনুযায়ী ডিটেনশন মেমো ইস্যু করে গাড়িগুলো জব্দ করা হয়।

অভিযানের সময় গাড়িগুলোর সঙ্গে থাকা তরুণরা দাবি করেছেন, এগুলো তারা বাবার কাছ থেকে উপহার হিসেবে পেয়েছেন। তবে গাড়িগুলোর রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াধীন বলে দাবি করলেও তারা এর পক্ষে কোনো প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে পারেননি। শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাড়িগুলোর মালিক দাবিদারদের দাবির সত্যতা নথিপত্র যাচাইয়ের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। জব্দ করা গাড়িগুলোর মধ্যে দুটিতে কোনো নম্বর প্লেটও ছিল না।

তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ইউজড কার পার্টস’ ঘোষণা দিয়ে গাড়ির যন্ত্রাংশ এনে পরে তা সংযোজনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপান্তরের একটি কৌশল গোয়েন্দা তদন্তে উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগে একই ধরনের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের একটি আবাসিক এলাকা থেকে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি জব্দ করা হয়েছিল, যার ব্যবহারকারীও কোনো বৈধ নথি দেখাতে পারেননি।

শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরও জানান, জব্দ করা গাড়িগুলো কীভাবে দেশে এসেছে, কোথায় সংযোজন করা হয়েছে এবং আমদানি প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না—সবকিছুই তদন্ত করা হচ্ছে। চোরাচালানের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া অবৈধ আমদানির প্রমাণ পাওয়া গেলে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, মানি লন্ডারিং এবং ব্র্যান্ড নকলের ক্ষেত্রে মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে। এই অভিযানে র‍্যাব-১৫, কক্সবাজার জেলা পুলিশ এবং বিভিন্ন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সহযোগিতা করেছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই জব্দ করা গাড়িগুলোর বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি হকিতে মালয়েশিয়ার কাছে বাংলাদেশের বড় ব্যবধানে হার

কাগজপত্রহীন তিন বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করল শুল্ক গোয়েন্দা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের ওশান প্যারাডাইস হোটেলের পার্কিং থেকে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে এই অভিযান চালানো হয়। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত বৈধ আমদানি বা গাড়ি কেনার স্বপক্ষে কোনো কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আইন অনুযায়ী ডিটেনশন মেমো ইস্যু করে গাড়িগুলো জব্দ করা হয়।

অভিযানের সময় গাড়িগুলোর সঙ্গে থাকা তরুণরা দাবি করেছেন, এগুলো তারা বাবার কাছ থেকে উপহার হিসেবে পেয়েছেন। তবে গাড়িগুলোর রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াধীন বলে দাবি করলেও তারা এর পক্ষে কোনো প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে পারেননি। শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাড়িগুলোর মালিক দাবিদারদের দাবির সত্যতা নথিপত্র যাচাইয়ের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। জব্দ করা গাড়িগুলোর মধ্যে দুটিতে কোনো নম্বর প্লেটও ছিল না।

তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ইউজড কার পার্টস’ ঘোষণা দিয়ে গাড়ির যন্ত্রাংশ এনে পরে তা সংযোজনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপান্তরের একটি কৌশল গোয়েন্দা তদন্তে উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগে একই ধরনের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের একটি আবাসিক এলাকা থেকে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি জব্দ করা হয়েছিল, যার ব্যবহারকারীও কোনো বৈধ নথি দেখাতে পারেননি।

শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরও জানান, জব্দ করা গাড়িগুলো কীভাবে দেশে এসেছে, কোথায় সংযোজন করা হয়েছে এবং আমদানি প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না—সবকিছুই তদন্ত করা হচ্ছে। চোরাচালানের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া অবৈধ আমদানির প্রমাণ পাওয়া গেলে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, মানি লন্ডারিং এবং ব্র্যান্ড নকলের ক্ষেত্রে মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে। এই অভিযানে র‍্যাব-১৫, কক্সবাজার জেলা পুলিশ এবং বিভিন্ন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সহযোগিতা করেছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই জব্দ করা গাড়িগুলোর বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।