লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়ে ২৭ জুলাই

রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও পাথর মেরে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ আগামী ২৭ জুলাই নতুন তারিখ ধার্য করেছেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী এ এস এম শাহাদাৎ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৯ জুলাই) সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য থাকলেও নির্ধারিত সাক্ষীরা আদালতে হাজির হননি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করে নয়জন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত রোববার একই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. নানু কাজী, মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম ও মো. সাগর। এছাড়া মো. রুমান ব্যাপারী, মো. আবির হোসেন, মো. পারভেজ ও সজীব ব্যাপারী উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছেন। অন্যদিকে, জহিরুল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজীব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন এবং অপু দাস পলাতক রয়েছেন।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত বছরের ৯ জুলাই সন্ধ্যায় মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে সোহাগকে একদল ব্যক্তি পাথর দিয়ে আঘাত ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরদিন নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ওসি মো. মনিরুজ্জামান প্রায় ছয় মাসের তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন, যেখানে ১০ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালত তদন্তে ত্রুটি থাকায় পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিলে চলতি বছরের ১০ মে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ ২১ জনকে অভিযুক্ত করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরে হাতির ধাক্কায় ইজিবাইক উল্টে ১০ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু

মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়ে ২৭ জুলাই

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৪৬:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও পাথর মেরে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ আগামী ২৭ জুলাই নতুন তারিখ ধার্য করেছেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী এ এস এম শাহাদাৎ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৯ জুলাই) সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য থাকলেও নির্ধারিত সাক্ষীরা আদালতে হাজির হননি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করে নয়জন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত রোববার একই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. নানু কাজী, মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম ও মো. সাগর। এছাড়া মো. রুমান ব্যাপারী, মো. আবির হোসেন, মো. পারভেজ ও সজীব ব্যাপারী উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছেন। অন্যদিকে, জহিরুল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজীব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন এবং অপু দাস পলাতক রয়েছেন।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত বছরের ৯ জুলাই সন্ধ্যায় মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে সোহাগকে একদল ব্যক্তি পাথর দিয়ে আঘাত ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরদিন নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ওসি মো. মনিরুজ্জামান প্রায় ছয় মাসের তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন, যেখানে ১০ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালত তদন্তে ত্রুটি থাকায় পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিলে চলতি বছরের ১০ মে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ ২১ জনকে অভিযুক্ত করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন।