লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোদি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ: আটক রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ, রাহুলের নাকে রক্ত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনকালে দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনায় তার নাকে রক্ত দেখা গেছে, তবে কীভাবে তিনি রক্তাক্ত হলেন সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। পরে তাকে জোরপূর্বক বাসে করে সরিয়ে নেওয়া হয়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাহুল গান্ধী মোদির বাসভবনের সামনে রাতভর বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্থানীয় সময় সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ৪০ মিনিটে পুলিশ বিক্ষোভস্থল খালি করে দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাহুল গান্ধী রাস্তার ওপর বসে অবস্থান করছিলেন। সেই সময় তাকে ঘিরে ফেলেন অন্তত ১০ জন পুলিশ সদস্য। তিনি সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে পরে তাকে জোর করে একটি বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাহুল গান্ধী ছাড়াও এদিন মোদির বাসভবনের সামনে থেকে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবসহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। পরবর্তীতে তাদেরকেও সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আটকের পর রাহুল গান্ধী গণমাধ্যমকে বলেন, “ভারতে এখনই গণতন্ত্র ঘটছে।” বিক্ষোভ থেকে সরিয়ে নেওয়ার আগে রাহুল গান্ধী তার সমর্থকদের মোদির বাসভবনের সামনে ধর্নায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা মানে প্রতিটি ভারতীয় পরিবারের ওপর হামলা। প্রধানমন্ত্রী মোদি মনে করেন, কোনো জবাবদিহি বা পরিণতি ছাড়াই তিনি পার পেয়ে যাবেন। এবার তা হবে না। যারা মনে করেন ভারতের শিক্ষার্থীরা ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য, তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে আমাদের ধর্নায় যোগ দিন। শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর উপেক্ষা করা যাবে না।”

এর আগে গতকাল সোমবার দেশটির ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) বা ‘তেলাপোকা’ আন্দোলন সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লন্ডনে চিকিৎসাধীন বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন

মোদি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ: আটক রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ, রাহুলের নাকে রক্ত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:২২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনকালে দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনায় তার নাকে রক্ত দেখা গেছে, তবে কীভাবে তিনি রক্তাক্ত হলেন সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। পরে তাকে জোরপূর্বক বাসে করে সরিয়ে নেওয়া হয়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাহুল গান্ধী মোদির বাসভবনের সামনে রাতভর বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্থানীয় সময় সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ৪০ মিনিটে পুলিশ বিক্ষোভস্থল খালি করে দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাহুল গান্ধী রাস্তার ওপর বসে অবস্থান করছিলেন। সেই সময় তাকে ঘিরে ফেলেন অন্তত ১০ জন পুলিশ সদস্য। তিনি সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে পরে তাকে জোর করে একটি বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাহুল গান্ধী ছাড়াও এদিন মোদির বাসভবনের সামনে থেকে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবসহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। পরবর্তীতে তাদেরকেও সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আটকের পর রাহুল গান্ধী গণমাধ্যমকে বলেন, “ভারতে এখনই গণতন্ত্র ঘটছে।” বিক্ষোভ থেকে সরিয়ে নেওয়ার আগে রাহুল গান্ধী তার সমর্থকদের মোদির বাসভবনের সামনে ধর্নায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা মানে প্রতিটি ভারতীয় পরিবারের ওপর হামলা। প্রধানমন্ত্রী মোদি মনে করেন, কোনো জবাবদিহি বা পরিণতি ছাড়াই তিনি পার পেয়ে যাবেন। এবার তা হবে না। যারা মনে করেন ভারতের শিক্ষার্থীরা ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য, তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে আমাদের ধর্নায় যোগ দিন। শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর উপেক্ষা করা যাবে না।”

এর আগে গতকাল সোমবার দেশটির ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) বা ‘তেলাপোকা’ আন্দোলন সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ করে।