লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ ১৬ আগস্ট: প্রাণখুলে হাসুন, পালন করুন জাতীয় কৌতুক দিবস

আজ ১৬ আগস্ট, ‘জাতীয় কৌতুক বলার দিন’। দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা ও মানসিক চাপ কাটিয়ে উঠতে আজকের দিনটি মন খুলে হাসার এবং চারপাশের মানুষকে হাসিখুশিতে রাখার এক দারুণ সুযোগ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কৌতুক কেবল বিনোদনের মাধ্যমই নয়, এটি মানুষের মানসিক চাপ কমাতে এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কৌতুক মানব সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে অন্তত খ্রিস্টপূর্ব ১৯০০ অব্দ থেকেই। হাস্যরসের ধরণ হতে পারে বিভিন্ন রকমের—যেমন এক লাইনের জোকস, নক-নক কৌতুক, শব্দের খেলা বা ‘পান’, কিংবা বিদ্রূপাত্মক রসবোধ। আবার অনেকে কেবল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমেই হাস্যরস ফুটিয়ে তোলেন।

একটি কৌতুক সফল করার পেছনে সঠিক সময়জ্ঞান বা টাইমিং এবং পরিবেশনভঙ্গি অত্যন্ত জরুরি। সঠিক সময়ে পাঞ্চলাইন দিতে না পারলে কৌতুক তার আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে। এছাড়া পরিবেশ ও শ্রোতা বুঝে কৌতুক নির্বাচন করাও একটি বড় শিল্প। উদাহরণস্বরূপ, ভীতি বা ফোবিয়া সংক্রান্ত কোনো সম্মেলনে জোকার বিষয়ক কৌতুক করা বেমানান হতে পারে।

হাসির স্বাস্থ্যগত উপকারিতা অপরিসীম। পরিমিত হাসি পেটের পেশির দারুণ ব্যায়াম ঘটায় এবং মস্তিষ্কে ‘এন্ডোরফিন’ বা প্রাকৃতিক ভালো লাগার হরমোন নিঃসরণ করে। তাই সব দুঃখ-কষ্ট ভুলে আজ প্রাণ খুলে হাসুন এবং অন্যকেও হাসার সুযোগ করে দিন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় গাড়িতে হামলার ঘটনায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ আমির হামজার

আজ ১৬ আগস্ট: প্রাণখুলে হাসুন, পালন করুন জাতীয় কৌতুক দিবস

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৫১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

আজ ১৬ আগস্ট, ‘জাতীয় কৌতুক বলার দিন’। দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা ও মানসিক চাপ কাটিয়ে উঠতে আজকের দিনটি মন খুলে হাসার এবং চারপাশের মানুষকে হাসিখুশিতে রাখার এক দারুণ সুযোগ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কৌতুক কেবল বিনোদনের মাধ্যমই নয়, এটি মানুষের মানসিক চাপ কমাতে এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কৌতুক মানব সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে অন্তত খ্রিস্টপূর্ব ১৯০০ অব্দ থেকেই। হাস্যরসের ধরণ হতে পারে বিভিন্ন রকমের—যেমন এক লাইনের জোকস, নক-নক কৌতুক, শব্দের খেলা বা ‘পান’, কিংবা বিদ্রূপাত্মক রসবোধ। আবার অনেকে কেবল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমেই হাস্যরস ফুটিয়ে তোলেন।

একটি কৌতুক সফল করার পেছনে সঠিক সময়জ্ঞান বা টাইমিং এবং পরিবেশনভঙ্গি অত্যন্ত জরুরি। সঠিক সময়ে পাঞ্চলাইন দিতে না পারলে কৌতুক তার আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে। এছাড়া পরিবেশ ও শ্রোতা বুঝে কৌতুক নির্বাচন করাও একটি বড় শিল্প। উদাহরণস্বরূপ, ভীতি বা ফোবিয়া সংক্রান্ত কোনো সম্মেলনে জোকার বিষয়ক কৌতুক করা বেমানান হতে পারে।

হাসির স্বাস্থ্যগত উপকারিতা অপরিসীম। পরিমিত হাসি পেটের পেশির দারুণ ব্যায়াম ঘটায় এবং মস্তিষ্কে ‘এন্ডোরফিন’ বা প্রাকৃতিক ভালো লাগার হরমোন নিঃসরণ করে। তাই সব দুঃখ-কষ্ট ভুলে আজ প্রাণ খুলে হাসুন এবং অন্যকেও হাসার সুযোগ করে দিন।