লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুনবাজারে গ্যাস বিস্ফোরণে মামা-ভাগনির মৃত্যু, দগ্ধ স্ত্রী আশঙ্কাজনক

রাজধানীর নতুনবাজার এলাকায় একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন শাহিন (২৪) ও তার আট বছর বয়সী ভাগনি হাফসা আক্তার। এ ঘটনায় শাহিনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে প্রথমে মারা যায় শিশু হাফসা। এরপর শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে শাহিন শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। ডা. শাওন জানান, শাহিনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফসার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বর্তমানে শাহিনের স্ত্রী ফাহিমা ৪৫ শতাংশ দগ্ধ শরীর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার শারীরিক অবস্থাও অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

এর আগে, গত মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে নতুন বাজারের ১০০ ফিট সড়কের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে শাহিন, ফাহিমা ও তাদের ভাগনি হাফসা গুরুতর দগ্ধ হন। ঘটনার সময় ভাগনি হাফসা ওই বাসায় বেড়াতে এসেছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায়। মৃত আনোয়ারের ভাই সোহেল জানান, পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট। সে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করতো এবং মাত্র ছয় মাস আগে বিয়ে করে ভাটারার ওই বাসায় ভাড়া থাকতে শুরু করেছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০০ গ্রাম গাঁজা/সহ ৫ জন মা/দক ব্যবসায়ী গ্রেফ/তার

নতুনবাজারে গ্যাস বিস্ফোরণে মামা-ভাগনির মৃত্যু, দগ্ধ স্ত্রী আশঙ্কাজনক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর নতুনবাজার এলাকায় একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন শাহিন (২৪) ও তার আট বছর বয়সী ভাগনি হাফসা আক্তার। এ ঘটনায় শাহিনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে প্রথমে মারা যায় শিশু হাফসা। এরপর শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে শাহিন শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। ডা. শাওন জানান, শাহিনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফসার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বর্তমানে শাহিনের স্ত্রী ফাহিমা ৪৫ শতাংশ দগ্ধ শরীর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার শারীরিক অবস্থাও অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

এর আগে, গত মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে নতুন বাজারের ১০০ ফিট সড়কের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে শাহিন, ফাহিমা ও তাদের ভাগনি হাফসা গুরুতর দগ্ধ হন। ঘটনার সময় ভাগনি হাফসা ওই বাসায় বেড়াতে এসেছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায়। মৃত আনোয়ারের ভাই সোহেল জানান, পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট। সে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করতো এবং মাত্র ছয় মাস আগে বিয়ে করে ভাটারার ওই বাসায় ভাড়া থাকতে শুরু করেছিল।