লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপানে রেকর্ড বৃষ্টি ও বন্যায় নিহত ৪, বিমানবন্দরে আটকা ৭ হাজার যাত্রী

জাপানের রাজধানী টোকিও ও চিবাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছেন। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের কারণে পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় টোকিওর প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নারিতায় প্রায় সাত হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় চিবা প্রিফেকচারের সড়ক ও রেলপথ পানিতে তলিয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় চিবা প্রিফেকচারের বিভিন্ন অঞ্চলে ৩৬০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া একটি গাড়ির ভেতর আটকে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুসহ এখন পর্যন্ত চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উদ্ধার ও ত্রাণ কাজে সহায়তার জন্য দেশটির সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। চিবার গভর্নর তোশিহিতো কুমাগাই এই দুর্যোগকে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও নজিরবিহীন হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, অতীতে অনেক দুর্যোগ মোকাবেলা করলেও এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তার আগে কখনো হয়নি।

এদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২২ হাজারের বেশি বাড়ি বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি চিবা শহরের ক্ষতিগ্রস্ত শত শত বাসিন্দা সরকারি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটিয়েছেন।

বন্যা ও ভারী বৃষ্টির কারণে সড়ক ও রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নারিতা বিমানবন্দরের টার্মিনালে প্রায় সাত হাজার যাত্রী আটকা পড়েন। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আটকে পড়া এসব যাত্রীদের মাঝে খাবার, পানি ও কম্বল বিতরণ করেছে। তবে দুর্যোগের মধ্যেও বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে দেশব্যাপী বিএনপির দোয়া কর্মসূচি ঘোষণা

জাপানে রেকর্ড বৃষ্টি ও বন্যায় নিহত ৪, বিমানবন্দরে আটকা ৭ হাজার যাত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:২৪:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

জাপানের রাজধানী টোকিও ও চিবাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছেন। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের কারণে পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় টোকিওর প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নারিতায় প্রায় সাত হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় চিবা প্রিফেকচারের সড়ক ও রেলপথ পানিতে তলিয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় চিবা প্রিফেকচারের বিভিন্ন অঞ্চলে ৩৬০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া একটি গাড়ির ভেতর আটকে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুসহ এখন পর্যন্ত চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উদ্ধার ও ত্রাণ কাজে সহায়তার জন্য দেশটির সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। চিবার গভর্নর তোশিহিতো কুমাগাই এই দুর্যোগকে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও নজিরবিহীন হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, অতীতে অনেক দুর্যোগ মোকাবেলা করলেও এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তার আগে কখনো হয়নি।

এদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২২ হাজারের বেশি বাড়ি বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি চিবা শহরের ক্ষতিগ্রস্ত শত শত বাসিন্দা সরকারি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটিয়েছেন।

বন্যা ও ভারী বৃষ্টির কারণে সড়ক ও রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নারিতা বিমানবন্দরের টার্মিনালে প্রায় সাত হাজার যাত্রী আটকা পড়েন। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আটকে পড়া এসব যাত্রীদের মাঝে খাবার, পানি ও কম্বল বিতরণ করেছে। তবে দুর্যোগের মধ্যেও বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।