লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা জারি

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় ফ্লোরেস দ্বীপের উপকূলীয় এলাকায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে এই ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস-এর তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর উপকূল থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

প্রধান ভূমিকম্পের পরপরই একই এলাকায় একাধিক শক্তিশালী পরাঘাত বা আফটারশক অনুভূত হয়েছে। ইউএসজিএস জানিয়েছে, এসব পরাঘাতের মধ্যে তিনটির মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯, ৫ দশমিক ৬ এবং ৬ দশমিক ১। ভূমিকম্পের তীব্রতার কারণে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ শক্তিশালী ঝাঁকুনির কবলে পড়েছেন বলে প্রাথমিক মূল্যায়নে উঠে এসেছে। এমন কম্পনে দুর্বল ভবনগুলো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে এবং সুনির্মিত ভবনেও সামান্য থেকে মাঝারি মানের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভূমিকম্পের পরপরই ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূতাত্ত্বিক সংস্থা (বিএমকেজি) পূর্ব নুসা তেঙ্গারা, পশ্চিম নুসা তেঙ্গারা, দক্ষিণ সুলাওয়েসি এবং দক্ষিণ-পূর্ব সুলাওয়েসির কিছু উপকূলীয় এলাকায় সুনামির প্রাথমিক সতর্কতা জারি করেছে। উপকূলের বাসিন্দাদের দ্রুত সমুদ্রসৈকত ও নদীর তীর থেকে দূরে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফ্লোরেস দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পের ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয়ভাবে কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যদিও মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, তবে ইন্দোনেশীয় সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবেশ সুরক্ষা ও দূষণ রোধে নিজের অভিজ্ঞতা শোনালেন রহমান মৃধা

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা জারি

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় ফ্লোরেস দ্বীপের উপকূলীয় এলাকায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে এই ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস-এর তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর উপকূল থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

প্রধান ভূমিকম্পের পরপরই একই এলাকায় একাধিক শক্তিশালী পরাঘাত বা আফটারশক অনুভূত হয়েছে। ইউএসজিএস জানিয়েছে, এসব পরাঘাতের মধ্যে তিনটির মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯, ৫ দশমিক ৬ এবং ৬ দশমিক ১। ভূমিকম্পের তীব্রতার কারণে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ শক্তিশালী ঝাঁকুনির কবলে পড়েছেন বলে প্রাথমিক মূল্যায়নে উঠে এসেছে। এমন কম্পনে দুর্বল ভবনগুলো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে এবং সুনির্মিত ভবনেও সামান্য থেকে মাঝারি মানের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভূমিকম্পের পরপরই ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূতাত্ত্বিক সংস্থা (বিএমকেজি) পূর্ব নুসা তেঙ্গারা, পশ্চিম নুসা তেঙ্গারা, দক্ষিণ সুলাওয়েসি এবং দক্ষিণ-পূর্ব সুলাওয়েসির কিছু উপকূলীয় এলাকায় সুনামির প্রাথমিক সতর্কতা জারি করেছে। উপকূলের বাসিন্দাদের দ্রুত সমুদ্রসৈকত ও নদীর তীর থেকে দূরে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফ্লোরেস দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পের ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয়ভাবে কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যদিও মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, তবে ইন্দোনেশীয় সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।