লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায়

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ওই চার নেতা হলেন—দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণেই মূলত তাদের নাম সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এসেছে বলে দলীয় নেতারা জানিয়েছেন। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা দেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকার ও বিএনপি উভয়ই এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। কারণ, যিনি নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হবেন, তিনি পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের সময়ও দায়িত্বে থাকবেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। দলের ভেতরে ও বাইরে অনেকের মতে, তিনি রাষ্ট্রপতি পদের জন্য অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী হলেও এ বিষয়ে তার ব্যক্তিগত অবস্থান এখনো জানা যায়নি।

বিএনপির চার নেতার পাশাপাশি একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন আমলার নামও বিভিন্ন মহলে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও যুগ্ম সচিব ডা. সাবিনা ইয়াসমিনকে বাধ্যতামূলক অবসরে 

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায়

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:২৬:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ওই চার নেতা হলেন—দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণেই মূলত তাদের নাম সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এসেছে বলে দলীয় নেতারা জানিয়েছেন। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা দেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকার ও বিএনপি উভয়ই এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। কারণ, যিনি নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হবেন, তিনি পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের সময়ও দায়িত্বে থাকবেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। দলের ভেতরে ও বাইরে অনেকের মতে, তিনি রাষ্ট্রপতি পদের জন্য অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী হলেও এ বিষয়ে তার ব্যক্তিগত অবস্থান এখনো জানা যায়নি।

বিএনপির চার নেতার পাশাপাশি একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন আমলার নামও বিভিন্ন মহলে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।