লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদের তৃতীয় অধিবেশন: সংস্কার ও পদ বণ্টন নিয়ে বাড়ল দূরত্ব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদ্য সমাপ্ত তৃতীয় অধিবেশনে সংস্কার বাস্তবায়ন ও সংসদীয় রীতিনীতি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যকার রাজনৈতিক দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী এই সংসদের মূল কাজ রাষ্ট্রীয় সংস্কারের আইনি ভিত্তি তৈরি করা হলেও, মাত্র ৯ কার্যদিবসের এই অধিবেশনে আইন প্রণয়নে তাড়াহুড়া, পরমতসহিষ্ণুতার অভাব এবং সংসদীয় কমিটির পদ বণ্টন নিয়ে তীব্র টানাপোড়েন দেখা গেছে। অবশ্য এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সার সংকটের মতো জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও সংসদে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে।

গত ২৭ আগস্ট শুরু হয়ে ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া এই অধিবেশনে মোট ছয়টি বিল পাস হয়েছে। সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন বিধিতে ১৫০টির বেশি নোটিশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নিজে ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের জন্য দেওয়া ২ হাজার ৬৭৬টি প্রশ্নের মধ্যে উত্তর দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৬৭৮টির। এই অধিবেশনেই সংসদের ৫০টি স্থায়ী কমিটির মধ্যে ৩৫টি গঠিত হয়, বাকিগুলো আগেই গঠিত হয়েছিল।

সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মূল টানাপোড়েন দেখা গেছে জুলাই সনদের প্রস্তাব অনুযায়ী সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ বণ্টন এবং সংস্কার-সংশ্লিষ্ট তিনটি বিল পাসের প্রশ্নে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে প্রথম অধিবেশনে ১৬টি অধ্যাদেশ বিল আকারে না আসায় কার্যকারিতা হারায় এবং ৭টি বাতিল করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় অধিবেশনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম প্রতিরোধে নতুন দুটি বিল পাস করা হয়। তবে বিরোধী দলের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অধ্যাদেশের চেয়ে এই নতুন আইন দুটি অনেক দুর্বল করে আনা হয়েছে। এই বিল দুটি পাসের প্রতিবাদে তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউটও করে।

আইনের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশে মানবাধিকার কমিশনকে শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নতুন আইনে কমিশন কেবল সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কাছে প্রতিবেদন চাইতে পারবে। একইভাবে গুমের অভিযোগ তদন্তের ভার মানবাধিকার কমিশনের পরিবর্তে শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তারা নিজেরা তদন্ত করতে পারবে না। এছাড়া র‍্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনের বিলটিকে স্রেফ ‘সাইনবোর্ড বদল’ বলে সমালোচনা করেছে বিরোধী দল।

অধিবেশনের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিরোধ ছিল সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ নিয়ে। জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাব অনুযায়ী ৪টি গুরুত্বপূর্ণ কমিটিসহ সংসদের আসন সংখ্যার অনুপাতে ৩৯টি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির মধ্যে ১০টিসহ মোট ১৪টি সভাপতি পদ বিরোধী দলের পাওয়ার কথা ছিল। সংসদে প্রায় ২৬ শতাংশ আসন থাকা সত্ত্বেও বিরোধী দল পেয়েছে মাত্র একটি পদ। সরকারি দলের পক্ষ থেকে শর্ত দেওয়া হয়েছিল, বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে প্রতিনিধি দিলে জুলাই সনদ অনুযায়ী পদ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তবে বিরোধী দল এই শর্ত প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, তারা সংবিধান সংশোধন নয়, বরং সংস্কারের পক্ষে। এর ফলে গত দ্বিতীয় অধিবেশনে (১৩ জুলাই) গঠিত সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে এবারও তারা কোনো নাম দেয়নি।

সংসদীয় কমিটির গঠন ও জবাবদিহিতা নিয়েও বিতর্ক দেখা গেছে। কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী বাধা না থাকলেও, কিছু কমিটিতে মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা, চিফ হুইপ ও হুইপদের সভাপতি করা হয়েছে এবং অন্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে সদস্য করা হয়েছে। এ নিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নিজেই প্রশ্ন তুলেছেন যে, নির্বাহী বিভাগ নিজেই যদি কমিটির সভাপতি হয়, তবে তারা কার কাছে জবাবদিহি করবে। এছাড়া ৯ কার্যদিবসে ৬টি বিল পাসের তাড়াহুড়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। বিলগুলো পরীক্ষার জন্য সংসদীয় কমিটিকে মাত্র দুই থেকে চার দিন সময় দেওয়া হয়েছিল।

অধিবেশনে পরমতসহিষ্ণুতার ঘাটতিও স্পষ্ট হয়েছে। শুরুর দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধী দল হট্টগোল করে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য প্রত্যাহার করার পরও প্রতিবাদ থামেনি। এ নিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এছাড়া স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের সদস্যদের তুমুল হট্টগোল ও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে, যার নিন্দা জানিয়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, বক্তব্যে বাধা দেওয়া গণতান্ত্রিক রীতিনীতির বাইরে।

সার্বিক বিষয়ে সাবেক জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার হতাশা প্রকাশ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো বর্তমান সরকার আরও ভালো আইন করার কথা বলে অনুমোদন দেয়নি। কিন্তু মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধে যে বিল পাস হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে সরকার উল্টো পথে হাঁটছে। সুপ্রিম কোর্ট-সংক্রান্ত কোনো বিলও এই অধিবেশনে আনা হয়নি। সব মিলিয়ে সংস্কার প্রশ্নে সরকারের এখন পর্যন্ত ট্র্যাক রেকর্ড হতাশাজনক।

জনপ্রিয় সংবাদ

বদলে যাচ্ছে সম্পত্তির বাজারমূল্য নির্ধারণ কমিটি, বাড়তে পারে জনভোগান্তি

সংসদের তৃতীয় অধিবেশন: সংস্কার ও পদ বণ্টন নিয়ে বাড়ল দূরত্ব

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩৩:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদ্য সমাপ্ত তৃতীয় অধিবেশনে সংস্কার বাস্তবায়ন ও সংসদীয় রীতিনীতি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যকার রাজনৈতিক দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী এই সংসদের মূল কাজ রাষ্ট্রীয় সংস্কারের আইনি ভিত্তি তৈরি করা হলেও, মাত্র ৯ কার্যদিবসের এই অধিবেশনে আইন প্রণয়নে তাড়াহুড়া, পরমতসহিষ্ণুতার অভাব এবং সংসদীয় কমিটির পদ বণ্টন নিয়ে তীব্র টানাপোড়েন দেখা গেছে। অবশ্য এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সার সংকটের মতো জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও সংসদে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে।

গত ২৭ আগস্ট শুরু হয়ে ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া এই অধিবেশনে মোট ছয়টি বিল পাস হয়েছে। সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন বিধিতে ১৫০টির বেশি নোটিশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নিজে ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের জন্য দেওয়া ২ হাজার ৬৭৬টি প্রশ্নের মধ্যে উত্তর দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৬৭৮টির। এই অধিবেশনেই সংসদের ৫০টি স্থায়ী কমিটির মধ্যে ৩৫টি গঠিত হয়, বাকিগুলো আগেই গঠিত হয়েছিল।

সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মূল টানাপোড়েন দেখা গেছে জুলাই সনদের প্রস্তাব অনুযায়ী সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ বণ্টন এবং সংস্কার-সংশ্লিষ্ট তিনটি বিল পাসের প্রশ্নে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে প্রথম অধিবেশনে ১৬টি অধ্যাদেশ বিল আকারে না আসায় কার্যকারিতা হারায় এবং ৭টি বাতিল করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় অধিবেশনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম প্রতিরোধে নতুন দুটি বিল পাস করা হয়। তবে বিরোধী দলের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অধ্যাদেশের চেয়ে এই নতুন আইন দুটি অনেক দুর্বল করে আনা হয়েছে। এই বিল দুটি পাসের প্রতিবাদে তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউটও করে।

আইনের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশে মানবাধিকার কমিশনকে শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নতুন আইনে কমিশন কেবল সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কাছে প্রতিবেদন চাইতে পারবে। একইভাবে গুমের অভিযোগ তদন্তের ভার মানবাধিকার কমিশনের পরিবর্তে শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তারা নিজেরা তদন্ত করতে পারবে না। এছাড়া র‍্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনের বিলটিকে স্রেফ ‘সাইনবোর্ড বদল’ বলে সমালোচনা করেছে বিরোধী দল।

অধিবেশনের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিরোধ ছিল সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ নিয়ে। জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাব অনুযায়ী ৪টি গুরুত্বপূর্ণ কমিটিসহ সংসদের আসন সংখ্যার অনুপাতে ৩৯টি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির মধ্যে ১০টিসহ মোট ১৪টি সভাপতি পদ বিরোধী দলের পাওয়ার কথা ছিল। সংসদে প্রায় ২৬ শতাংশ আসন থাকা সত্ত্বেও বিরোধী দল পেয়েছে মাত্র একটি পদ। সরকারি দলের পক্ষ থেকে শর্ত দেওয়া হয়েছিল, বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে প্রতিনিধি দিলে জুলাই সনদ অনুযায়ী পদ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তবে বিরোধী দল এই শর্ত প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, তারা সংবিধান সংশোধন নয়, বরং সংস্কারের পক্ষে। এর ফলে গত দ্বিতীয় অধিবেশনে (১৩ জুলাই) গঠিত সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে এবারও তারা কোনো নাম দেয়নি।

সংসদীয় কমিটির গঠন ও জবাবদিহিতা নিয়েও বিতর্ক দেখা গেছে। কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী বাধা না থাকলেও, কিছু কমিটিতে মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা, চিফ হুইপ ও হুইপদের সভাপতি করা হয়েছে এবং অন্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে সদস্য করা হয়েছে। এ নিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নিজেই প্রশ্ন তুলেছেন যে, নির্বাহী বিভাগ নিজেই যদি কমিটির সভাপতি হয়, তবে তারা কার কাছে জবাবদিহি করবে। এছাড়া ৯ কার্যদিবসে ৬টি বিল পাসের তাড়াহুড়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। বিলগুলো পরীক্ষার জন্য সংসদীয় কমিটিকে মাত্র দুই থেকে চার দিন সময় দেওয়া হয়েছিল।

অধিবেশনে পরমতসহিষ্ণুতার ঘাটতিও স্পষ্ট হয়েছে। শুরুর দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধী দল হট্টগোল করে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য প্রত্যাহার করার পরও প্রতিবাদ থামেনি। এ নিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এছাড়া স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের সদস্যদের তুমুল হট্টগোল ও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে, যার নিন্দা জানিয়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, বক্তব্যে বাধা দেওয়া গণতান্ত্রিক রীতিনীতির বাইরে।

সার্বিক বিষয়ে সাবেক জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার হতাশা প্রকাশ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো বর্তমান সরকার আরও ভালো আইন করার কথা বলে অনুমোদন দেয়নি। কিন্তু মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধে যে বিল পাস হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে সরকার উল্টো পথে হাঁটছে। সুপ্রিম কোর্ট-সংক্রান্ত কোনো বিলও এই অধিবেশনে আনা হয়নি। সব মিলিয়ে সংস্কার প্রশ্নে সরকারের এখন পর্যন্ত ট্র্যাক রেকর্ড হতাশাজনক।