লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর জল্পনা

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র জল্পনা-কল্পনা চলছে। সরকার ও ক্ষমতাসীন বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, শারীরিক অসুস্থতাকে কারণ দেখিয়ে তিনি যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন। তবে বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

রাষ্ট্রপতির কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, তার পদত্যাগের সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল। এদিকে, বঙ্গভবন সংশ্লিষ্ট অপর একটি সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি তার অধস্তন কর্মকর্তাদের দ্রুত বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছু সময় বিশ্রাম নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেন বলেও সূত্রটি জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারী একাধিক সচিবের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে। এর আগে বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নামও এই তালিকায় উঠে এলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য শাহাদাৎ হোসেন সেলিম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে কোনো আলোচনা তার জানা নেই। একই কথা জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও বেগম সেলিমা রহমানও।

সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর জল্পনা

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:১৯:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র জল্পনা-কল্পনা চলছে। সরকার ও ক্ষমতাসীন বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, শারীরিক অসুস্থতাকে কারণ দেখিয়ে তিনি যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন। তবে বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

রাষ্ট্রপতির কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, তার পদত্যাগের সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল। এদিকে, বঙ্গভবন সংশ্লিষ্ট অপর একটি সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি তার অধস্তন কর্মকর্তাদের দ্রুত বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছু সময় বিশ্রাম নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেন বলেও সূত্রটি জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারী একাধিক সচিবের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে। এর আগে বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নামও এই তালিকায় উঠে এলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য শাহাদাৎ হোসেন সেলিম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে কোনো আলোচনা তার জানা নেই। একই কথা জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও বেগম সেলিমা রহমানও।

সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল।